খবরবিনোদনসিনেমা

শতকোটির মালকিন হয়েও চুরি! শেষরক্ষা হল না ফেঁসেই গেলেন ঐশ্বর্য, হাজিরা দিলেন,ইডির দফতরে

এবার পানামা পেপার লিকস কাণ্ডে ইডির দপ্তরে হাজিরা দিলেন বচ্চন পরিবারের পুত্রবধূ তথা প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরী ঐশ্বর্য রাই বচ্চন। আজই দিল্লিতে চুপিসাড়ে ইডির দফতরে পৌঁছান ঐশ্বর্য। জানা গেছে ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট বা ফেমা আইনের অধীনে তলব করা হয় ঐশ্বর্যকে। কর ফাঁকি দিয়ে বিদেশে টাকা রাখার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।

জানা গেছে এই মামলায় আগেও দুবার সমন পাঠানো হয়েছিল ঐশ্বর্যকে। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী। উল্লেখ্য কর ফাঁকি দিয়ে বিদেশে টাকা রাখবার অভিযোগ নতুন নয়। সুইস ব্যাঙ্কের নাম এই মামলায় প্রসিদ্ধ। দ্বীপরাষ্ট্রে পানামায় টাকা গচ্ছিত রাখার অভিযোগে আজ ইডি আধিকারকিদের কড়া প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন অভিনেত্রী।

২০১৬ সালে পানামার একটি লিগ্যাল ফার্ম ‘মোসাক ফনসেকা’-এর তরফে ফাঁস হয়ে যায় সেই সব ব্যক্তিত্বদের নাম,যারা ওই দ্বীপ রাষ্ট্রেই অফশোর কোম্পানির মাধ্যমে টাকা রাখতেন।তারা প্রত্যেকেই বিশ্বের বহু ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। সেখানেই উঠে আসে ৩০০ ভারতীয়দের নাম।

এই লিস্টেই নাম উঠে আসে ঐশ্বর্যর। অভিযোগ কর ফাঁকি দিয়ে বিদেশে টাকা জমিয়েছেন অভিনেত্রী।এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ২০১৭ সালে অভিযোগগুলির তদন্ত শুরু করে৷ এটি ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের উদারীকৃত রেমিট্যান্স স্কিম (LRS) এর অধীনে ২০০৪ সাল থেকে তাদের বিদেশী রেমিট্যান্সগুলি ব্যাখ্যা করতে বলে বচ্চন পরিবারকে নোটিশ জারি করেছিল৷

সূত্রের খবর ইতিমধ্যেই ঐশ্বর্য ১৫ বছরে বিদেশী অর্থপ্রদানের রেকর্ড জমা দিয়েছেন। জানা যায় ২০০৪ সালে ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জে প্রতিষ্ঠিত একটি অফশোর কোম্পানি টাকা গচ্ছিত রেখেছিলেন অভিনেত্রী। জানা যায় ২০০৯ সালেই তিনি কোম্পানি থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন।

Related Articles

Back to top button