বিনোদন

‘ছানাদাদু’সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শেষ ইচ্ছেপূরণের করলেন অভিনেতা দেব, খুশি অপুর পরিবার

সদ্য অবিভাবক হারা হয়েছে টলিপাড়া। আজও ফেলুদা পড়তে বসলেই আমরা চেতনায় দেখতে পাই সৌমিত্র বাবুকেই।জীবন সংগ্রামে লড়ে চলা সেই অক্লান্ত অপু আজও বল জোগায় বেকার যুবকদের বুকে। হীরক রাজাদের গদি একাই টলিয়ে দিতে পারে উদয়ন পন্ডিতেরা। কিন্তু পথের খোঁজ না পেয়ে গত ১৫ নভেম্বর ‘তিন ভুবনের পারেই’ চলে যান সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

২০২০ অনেক কিছু কেড়ে নিয়েছে আমাদের থেকে। আর বছরের শেষে এসে কেড়ে নিল বাংলার অন্যতম মূল্যবান প্রিয় মানুষটিকেও। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় কেবলমাত্র একজন অভিনেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন একাধারে কবি, গায়ক, নাট্যকার সর্বোপরি একজন সত্যিকারের মানুষ। তাই ‘বেলাশেষে’ বাঙালি মননে আজও ‘অপরাজিত’ ‘অপু’।

দীর্ঘ ৪০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়েও, শেষ রক্ষা হয়নি। দীপাবলির সমস্ত আলো নিমেষে নিভিয়ে দিয়ে চলে গেছেন সৌমিত্র। আর এই এতবড় ক্ষতি মেনে নিতে পারেনি গোটা টলিপাড়া। সৌমিত্র বাবু জীবিত থাকাকালীন এক সাক্ষাৎকারে জানিয়ে গিয়েছিলেন তার শেষ ইচ্ছের কথা।

সৌমিত্র ছিলেন সাংসদ-অভিনেতা দেবের প্রিয় ‘ছানা দাদু’। সম্প্রতি সাঁঝবাতি সিনেমায় তার সাথে অভিনয়েরও সুযোগ পেয়েছিলেন দেব৷ এবার ছানা দাদুকে হারিয়ে তার শেষ ইচ্ছাটুকু পূরণের সব দায়িত্বই নিজের কাঁধে তুলে নিলেন অভিনেতা দেব। সৌমিত্র-র ইচ্ছে ছিল তার দীর্ঘ ৮৫ বছরের জীবনের সমস্ত খারাপ ভালো অভিজ্ঞতা একটি সিনেমার মাধ্যমে মানুষের কাছে তুলে ধরবেন। নিজে তার খসড়া লেখার কাজও শুরু করেছিলেন।

টেবিলে পড়ে থাকা সেই খসড়াকেই এবার সিনেমার রূপ দেবেন বলে জানান অভিনেতা দেব। নিজেই পূরণ করবেন তিনি ছানা দাদুর শেষ ইচ্ছা। সব ঠিকঠাক থাকলে চলতি বছরের ডিসেম্বরেই সিনেমার কাজ শুরু হবে বলে খবর।

Related Articles

Back to top button