বিনোদন

বড়ছেলের নামের সাথে মিলিয়েই রাখা হয়েছে ঈশানের নাম ! রইল যশের প্রথম পক্ষের ছেলের আসল পরিচয়

দীপাবলির দিনেই অনুরাগীদের চমকে দিয়েছেন যশ দাশগুপ্ত। প্রথমবার একসাথে প্রকাশ্যে এনেছেন নিজের দুই সন্তানকে। স্ত্রী নুসরত, প্রথম পক্ষের ছেলে রিয়াংশ, ঈশানের সঙ্গে আলোর উৎসব কাটিয়েছেন যশ। সক্কলে একই রঙের একই ধরণের পোশাকে সেজেছিলেন। সেদিন যশের প্রথম পক্ষের ছেলের কোলে ঈশানকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখা যায়, এই মিষ্টি ছবি শেয়ার করে যশ লেখেন দুই ভাইয়ের ভালোবাসা।

দিন কয়েক আগেই প্রকাশ্যে এসেছে, যশের প্রথম পক্ষের স্ত্রী শ্বেতা কালহানসের পরিচয়। শ্বেতা কদিন আগেই জানিয়েছেন , তিনি এখন মুম্বই নিবাসী একজন সংবাদ কর্মী। এতদিন পর্যন্ত নিভৃতবাসেই ছিলেন তিনি। অনেক দিন হল যশের সঙ্গে তার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে। তবে তাদের একটি বছর ১০ একের পুত্র সন্তানও রয়েছে। এতদিন পর্যন্ত এই তথ্যটি গোপনই রেখেছিলেন অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত। কিন্তু ঈশানের বাবা হিসেবে তার পরিচয় সামনে আসার পরই এক সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যশ জানান, ‘আমার ছেলে আছে, যার ইতিমধ্যেই ৯ বছর বয়স হয়ে গেছে’।

যশের বড় ছেলে রিয়াংশ তার সঙ্গেই থাকেন। তবে ডিভোর্সের পর রিয়াংশের যৌথ কাস্টডি রয়েছে যশ-শ্বেতার কাছে। রিয়াংশকে প্রকাশ্যে না আনলেও ছেলের প্রতি বাবা হিসেবে যথেষ্ট যত্নশীল যশ। ছুটি পেলেই ছেলের সঙ্গে সময় কাটান তিনি। আর এখন রিয়াংশের সময় কাটে ছোট্ট ভাই ঈশানের সাথে।এর আগে এক সাক্ষাৎকারে যশ জানিয়েছিলেন, ঈশানকে যশ ডাকেন অংশ বলে। এখন স্পষ্ট বড় ছেলে রিয়াংশের নামের সাথে মিলিয়েই ঈশানের নাম রেখেছেন যশ।

অন্যদিকে যশের প্রাক্তন পত্নী শ্বেতার বক্তব্য,’ যশ এখন এমনিতেই বিতর্কের মধ্যে আছে। ওর সঙ্গে আমার সম্পর্ক নিয়ে খুব বেশি কিছু বলব না। ‘ শ্বেতাকে এতদিন পর্যন্ত কেউ চিনত না কেননা যশ তাকে কোনোদিনই সামনে আনেননি। অথচ শ্বেতা এবং যশের দশ বছরের একটি সন্তানও রয়েছে। নুসরতের প্রসঙ্গে শ্বেতার বক্তব্য, ‘আমি নুসরতকে দেখেছি। কিন্তু চিনি না। তাই কিছু বলতে চাই না।’ যশের সাথে তার বর্তমান সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, ‘যশ আমার ছেলের বাবা। ওর সঙ্গে সেই সূত্র ধরে যেটুকু যোগাযোগ রাখতে হয় রাখি। আমাদের সন্তান পারস্পরিক হেফাজতের অধীনে। ‘ আর যশের প্রতি যে তার বিন্দু মাত্র ভালোবাসাও বেঁচে নেই একথাও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। আসতেই ফের প্রশ্ন উঠছে যশের চরিত্র নিয়ে।

Related Articles

Back to top button