বউ থাকতে অন্য মেয়ের জন্য কাপড় কিনতে গিয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় উদ্যম মার খেলেন ব্যক্তি!


বাড়িতে বৌ (Wife) থাকতে অন্য মেয়ের সাথে প্রেম। সেই প্রেমিকার জন্য শপিং করতে গিয়ে হাতে নাতে ধরা পরে প্রকাশ্য রাস্তায় স্ত্রীর হাতে উদ্যম মার খেলেন এক ব্যক্তি। ঘটনা চলাকালীন রাস্তার চারিধারে লোকে লোকারণ্য এ যেন ফিল্মের শুটিং চলছে প্রকাশ রাস্তায়। এদিকে ওই ব্যক্তিকে এভাবে মার খেতে দেখে দে দৌড় প্রেমিকার। ছবি ও খবর প্রকাশ্যে আসতেই ভাইরাল হয়ে পড়েছে নেটপাড়ায়।

Meerut wife beats husband on road after catching with girlfriend

যেমনটা জানা যাচ্ছে হাস্যকর তথা অদ্ভুত এই ঘটনাটি ঘটেছে  মীরাটের শাস্ত্রীনগর (Sasthrinagar, Meerut) এলাকার সেন্ট্রাল মার্কেট চত্বরে। সেখানে নিজের স্বামীকে অন্য এক মহিলার সাথে জামাকাপড় কেনার সময় হাতে নাতে ধরে ফেলেন এক মহিলা। ব্যাস! স্বামীকে অন্য মহিলার সাথে দেখেই মাথায় খুন চড়ে যায়  মহিলার। প্রকাশ্য রাস্তার মধ্যেই স্বামীকে মারতে শুরু করেন ওই মহিলা। যা দেখে ভয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান স্বামীর প্রেমিকা মহিলাটি।

Meerut wife beats husband on road after catching with girlfriend

ভাইরাল এই ঘটনায় যে দম্পতির কথা বলা হয়েছে তারা মীরাটের বাসিন্দা। ওই ব্যক্তির নাম আদনান ও তার স্ত্রীর নাম আয়েশা। যেমনটা জানা যাচ্ছে এক বছর আগে বিয়ে হয়েছে তাদের। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই আয়েশার সাথে দুর্ব্যবহার শুরু করেন আদনান, এমনকি মারধর পর্যন্ত করেছেন। হাজারো অত্যাচার সহ্য করেও স্বামীর সাথেই ছিল আয়েশা, কিন্তু অন্য মেয়ের সাথে প্রেম করতে দেখে আর রাগ চেপে রাখতে পারেনি আয়েশা।

স্বামীকে অন্য মহিলার সাথে দেখা মাত্রই তাকে দোকান থেকে টেনে বের করে এনে রাস্তাতেই মারতে শুরু করেন আয়েশা। দুজনের কীর্তি দেখে রীতিমত লোক জমে যায় সেখানে। ঘটনা সামাল দিতে স্থানীয় নৌচান্দি পুলিশ হাজির হয় সেখানে। এরপর দুজনকে থানায় নিয়ে যাওয়া হলে আদনান দাবি করেন তিনি নাকি আগেই তালাক (Diorce) দিয়ে দিয়েছেন আয়েশাকে। তবে তালাকের মামলা এখনো চলছে। এমনকি আদনান এও বলেন আয়েশা তাকে মেরে ফেলারও চেষ্টা করেছিল।

Meerut wife beats husband on road after catching with girlfriend

এদিকে আয়েশা সাংসারিক অশান্তি ও আদনানের বিরুদ্ধেই নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন থানায়। তারপর অন্য এক মহিলার সাথে প্রেম করে বেড়াচ্ছেন আদনান। তাই আয়েশার দাবি তাঁর স্বামী আদনানকে শীঘ্রই জেলে ভরা উচিত তাঁর ওপর নির্যাতনের জন্য। গোটা বিষয়টিতে কোনো কিছুই এই মুহূর্তে স্পষ্ট হয়নি। পুলিশ মামলার তদন্ত করছে ও আশা করা যাচ্ছে শীঘ্রই ঘটনার আসল সত্যি প্রকাশিত হবে।


Like it? Share with your friends!

653
653 points