ফ্লিম সেট এ হটাৎ পৌঁছে যান টুইঙ্কল খান্না! বলিউডের এই অভিনেত্রীর সাথে হাতে নাতে ধরা পড়ে অক্ষয় কুমার

বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার, অনেকে তাকে হিট মেশিনও বলেন। অক্ষয় কুমারকে অনেকেই বলিউডের “প্লে বয়” নামেও চেনেন। কারণ  রাভিনা টন্ডন, শিল্পা শেট্টির সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার। পরে তিনি টুইঙ্কল খান্নাকে বিয়ে করেন। যদিও বিয়ের পর অভিনেতা নিজের পারিবারিক জীবন ও পেশাগত জীবন বেশ সামঞ্জস্য পূর্ন ভাবে চালাতে সক্ষম হয়েছেন।

তবে বিয়ের পরে কিন্তু তাকে নিয়ে গসিপ বন্ধ হয়নি। একসময় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সাথে অক্ষয় কুমার বেশ চর্চিত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যেকার কেমিস্ট্রি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমেও বেশ চর্চা হয়েছিল। অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া বলিউডে প্রথমদিকে অক্ষয় কুমারের সাথে ছবি করেছিলেন  যেগুলি বেশ হিট হয়েছিল। এই ছবি গিলিতে এমন কিছু দৃশ্যে অভিনেতা অভিনেত্রীকে দেখা গিয়েছিল যা বি টাউনে দুজনের কাছাকাছি আসার গুঞ্জন ছড়িয়ে দেয়।

 

 

বলিউড ছবি “আন্দাজ ( Aandaz )”, “মুঝসে শাদী কারোগী ( Mujhse  Shadi Karogi )”, “আইতরাজ ( Aaytraz )” ইত্যাদি ছবিতে দুজনের জুটি বেশ জনপ্রিয় হয় দর্শকদের কাছে। এরসাথে সংবাদ মাধ্যমে প্রিয়াঙ্কা ও অক্ষয়ের মধ্যে সম্পর্কের খবর আসতে থাকে। এই খবর পৌঁছায় টুইঙ্কলে খান্না পর্যন্ত। যদিও টুইঙ্কেল নিজে যেহেতু ছবি জগতের সাথে জড়িত ছিলেন তিনি জানতেন এরকম গুজব প্রায়শই রটে, তাই প্রথমে সেরকম গুরুত্ব দেননি ব্যাপারটিতে। তবে পরে দুজনের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে উঠলে টুইঙ্কেল ব্যাপারটির তদন্তে নিজেই নেমে পড়েন।

 

 

একসময় টুইঙ্কেল অক্ষয়কে সন্দেহ করতে শুরু করে। সেই সময় গোয়াতে “ওয়াক্ত ( Waqt )” ছবির শুটিং চলছিল। টুইংকেল ছবির কাস্টিং মেম্বারদের সাথে যোগাযোগ রেখেছিলেন ও অক্ষয় ও প্রিয়ঙ্কার সম্পর্কের খবর পেতে থাকেন। এরপর টুইঙ্কেল খান্না প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে ফোন করে কথা শুনিয়ে দিয়েছিল। এমনকি রেগে গিয়ে টুইঙ্কেল ছবির শুটিং সেটা পৌঁছে যান। সেখান গিয়ে সেটা প্রিয়াঙ্কাকে দেখতে পাননি পরে অক্ষয়ের সাথে একটি হোটেলে দেখতে পান।

 

 

সেখানেই শুরু হয় বির্তকের, হোটেলের লবিতেই টুইঙ্কেল খান্না ও অক্ষয় কুমারের মধ্যে বচসা বেঁধে যায়। অক্ষয়কে বার বার টুইঙ্কেল প্রশ্ন করতে থাকেন প্রিয়াঙ্কার সাথে তার সম্পর্ক আছে কিনা! তখন অক্ষয় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,”হ্যাঁ আমার সাথে প্রিয়াঙ্কার সম্পর্ক রয়েছে “। এই ঘটনার পর টুইংকেল রেগেমেগে তার ২ বছর বয়সী ছেলেকে ফেলে রেখেই মুম্বাই চলে আসেন। যদিও পরে সংবাদ মাধ্যমের সামনে টুইঙ্কেল ও অক্ষয় কেউই এই  ব্যাপারে মুখ খুলতে রাজি হয়নি।