বিনোদনসিরিয়াল

ট্যাক্সি চালানো শিখে ওকালতি করা যায়! সাত্যকিকে বাঁচাতে উকিল হয়ে এবার তুমুল ট্রোলের মুখে উর্মি

বাংলা বিনোদন জগতের ভিত্তি সিরিয়ালই বলা চলে। তাই নামী নামী চ্যানেলের একাধিক ধারাবাহিকের মধ্যে চলে নিরন্তর প্রতিযোগিতা। TRP – এর লড়াইয়ে টিকে থাকতে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ট্যুইস্ট নিয়ে হাজির হয় সিরিয়ালগুলি। তবে মাঝেমধ্যেই টুইস্ট দেখাতে গিয়ে এতটাই গাঁজাখুরি দেখানো হয় যে দর্শকেরা রীতিমতো তিতিবিরক্ত হয়ে ওঠেন।

জি বাংলার প্রথম সারির সিরিয়াল গুলির মধ্যে অন্যতম হল এই পথ যদি না শেষ হয় (Ei Poth Jodi Na Sesh Na Hoi)। সিরিয়ালপ্রেমী দর্শকদের কাছে এই সিরিয়ালের প্রতি ছিল এক আলাদা রকমের ভালো লাগা। এর আগে বারংবার ধারাবাহিকের বাস্তবভিত্তিক গল্প আর উর্মি সাত্যকির সাধারণ অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। এই ধারাবাহিকে অবাস্তব কিছু দেখানো হয়না বলেই দর্শকদের এত পছন্দের ছিল সিরিয়ালটি। কিন্তু এবার সেই সুনামে কার্যত জল ঢেলে দিল সিরিয়ালের আসন্ন প্রোমো।

এই মুহুর্তে ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে, সবেমাত্র উর্মি সাত্যকির বিয়ের ৫ মাস পুরেছে।সেই আনন্দের দিন সেলিব্রেট করার আগেই সরকার বাড়ি এসে হাজির হয় পুলিশ। বাড়ির আদর্শবান ছেলে সাত্যকির বিরুদ্ধে ওঠে শ্লীলতাহানির মতো গুরুতর অভিযোগ। এক মহিলার কাছ থেকে থানায় সেই অভিযোগ পেয়ে সাত্যকিকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় পুলিশ। বিনা দোষে এর আগে গণপিটুনিও খেয়েছে সে।

কিন্তু আসলে যে সবটাই উর্মির মামনি আর ছোটো কাকার কারসাজি সে কথা এখনও কেউ জানে না। ইতিমধ্যেই সিরিয়ালে দেখা গেছে উর্মির চোখে সাত্যকিকে ছোটো করতে তার নামে শ্লীলতাহানির মতো জঘন্য অভিযোগ এনে ষড়যন্ত্র করে উর্মির মামনি। তারাই টাকা দিয়ে এক মহিলাকে ভাড়া করে। সেই মহিলাই ভুয়ো নির্যাতিতা সেজে মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে দেয় সাত্যকিকে।

এমতাবস্থায় হাজতবাস করছে সাত্যকি। আদালতে চলছে তার বিচার। এদিকে উর্মির মামণির শয়তানিতে সাত্যকির উকিলও মামলা লড়বেন না বলে জানিয়েছেন। এবার দেখা যাবে, সাত্যকির হয়ে মামলা লড়বে স্বয়ং উর্মি। সম্প্রতি একটি ছবি সামনে এসেছে যেখানে উর্মিকে উকিলের পোশাকে আদালতে উপস্থিত হতে দেখা যায়। আর এই কান্ড দেখেই হাসির রোল উঠেছে নেটপাড়ায়।’

নেটিজেনদের একাংশের প্রশ্ন ট্যাক্সি চালানো শিখে ওকালতি করা যায় বুঝি? উর্মিকে নিয়ে এহেন ট্রোল শুরু হতেই, ধারাবাহিক প্রেমীদের একাংশ উত্তর দিয়েছেন এডভোকেটস অ্যাক্ট অফ ইন্ডিয়া:সেকশন 32 অনুযায়ী, যেকোনো ব্যক্তি তার প্রিয়জনের হয়ে কেস লড়তে পারে। তিনি আইনজীবী না হওয়া সত্ত্বেও আদালত তাকে অনুমতি দিতে পারে।

Related Articles

Back to top button