গসিপবিনোদনসিরিয়াল

পর্দায় লোক ঠকাতে গিয়ে শেষমেশ বাস্তবেই ঠকে গেলাম, শ্যামা অভিনেত্রী তিয়াশাকে নিয়ে অকপট সুবান

বাঙালি দর্শকদের মাঝে সিরিয়ালের জনপ্রিয়তা কম নেই। আর জনপ্রিয় সিরিয়ালের তারকাদের কিন্তু সবাই সিরিয়াল শেষ হয়ে গেলেও মনে রাখে। এই যেমন মেগা সিরিয়াল ‘কৃষ্ণকলি’ (Krishnakoli) সিরিয়ালটি শেষ হয়েছে অনেকদিন আগেই। তবে সিরিয়ালের শ্যামা অভিনেত্রী তিয়াশা লেপ্চা (Tiasha Lepcha) কিন্তু আজও শ্যামা বা কৃষ্ণকলির শ্যামা নামেই পরিচিত। সম্প্রতি তাকে নিয়েই মুখ খুললেন প্রাক্তন স্বামী সুবান রায় (Suban Roy)।

দেখতে দেখতে ৫ থেকে ৬ মাস হয়ে গিয়েছে আলাদা হয়ে গিয়েছেন তিয়াশা ও সুবান। যদিও বিচ্ছেদের অনেক আগে থেকেই খবর ছড়িয়ে পড়েছিল সর্বত্র, তবে শুরুতে সম্পর্কের ফাটলের কথা একপ্রকার অস্বীকার করে এড়িয়ে চলেছিলেন দুজনেই। তবে শেষ পর্যন্ত যেটা হওয়ার সেটাই হয়েছে। আর বিচ্ছেদের খবর সামনে আসার পর ঠকেকেই সেটা নিয়ে তুমুল চর্চাও হয়েছে।

Tiyasa Lepcha talks about her divorce with suban roy at didi no 1

বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে তিয়াশাকে অনেকেই ‘শ্যামা’ হিসাবেই চেনে। আর এর কৃতিত্বর সিংহভাগই যায় সুবানের ওপর। কারণ সেই তিয়াশাকে অভিনয়ে নিয়ে আসে। অবশ্য এই কথা সব সময়েই স্বীকার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। তাঁর অভিনয়ের আসার পিছনে যে সুবানের অবদান রয়েছে সেটা প্রকাশ্যেই বলেছেন তিয়াশা।

তবে পছন্দের এই জুটি যে এভাবে আলাদা হয়ে যাবে এটা অনেকেই আশা করতে পারেননি। হাজারো গুজব শোনা গেলেও তাদের সম্পর্ক ঠিক আছে মনে করতেন অনেকেই। কিন্তু সত্যি তো আর চাপা থাকে না। তাই শেষমেশ সম্পর্কের টানা পোড়েন সামনে আসে। এরপর বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এখন দুজনেই নিজের মত করে নিজেদের জীবনে এগিয়ে চলেছেন। তিয়াশা বর্তমানে একাই থাকেন, তবে তার সাথে থাকে এক পোষ্য।

Krishnakoli Shyama Tiasha Roy

সুবান ও তিয়াশা দুজনেই এখন একা থাকেন। সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসে একজন কাজকেই ধ্যান জ্ঞান করেছেন অভিনেতা সুবান রায়। বর্তমানে ‘তুমিই যে আমার মা’ সিরিয়ালে খল চত্রেই অভিনয় করছেন তিনি। সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমকে তিনি জানান, বিচ্ছেদের পর নিজেকে কাজেই ব্যস্ত রাখছেন তিনি। তাই সব কিছু ভুলে থাকাটা সম্ভব হচ্ছে।

এরপর জীবনের দ্বিতীয় ভালোবাসা বা পুনরায় প্রেমে পড়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্পষ্ট কথায় উত্তর দেন তিনি। সুবানের মতে, বিশ্বাস করেও ঠকতে হয়েছে। তাই ভালোবাসা আপাতত সযত্নে তুলে রেখেছেন। আবার যদি কখনো এমন কেউ আসে যে আঘাত দিয়ে চলে যেতে নয় পাশে থাকতে আসবে, তখন ভালোবাসার সবটুকু দিয়ে দেবেন তিনি।

Related Articles

Back to top button