রেসিপি

কমদামে পুষ্টি! কাঠফাটা রোদে পেট ঠান্ডা রাখতে খান পান্তা ভাত, রইল মজাদার রেসিপি

আগের দিন রাত্রে তৈরি করে রাখো ভাত সারারাত জলে ভিজিয়ে পান্তা ভাত তৈরি করা হয়। গ্রামীণ বাংলার মানুষের কাছে এই পান্তাভাত খুবই জনপ্রিয় । সকালের জলখাবার হিসাবে তাঁরা পান্তাভাত , কাঁচালঙ্কা , সর্ষের তেল দিয়ে মাখিয়ে খেতে পছন্দ করে থাকে। গরমকালের দুপুরে অনেক বিভিন্ন ধরনের ভাজা, আলু সেদ্ধ , ডাল সেদ্ধ দিয়ে পান্তা ভাত খেতে থাকে।

পুষ্টিবিদদের মতে, এই পান্তা ভাত শরীরের জন্যে বেশ উপকারী। পানি বাড়িয়ে দেয় ভাতের পুষ্টিগুণ। রাতের অবশিষ্ট ভাত সকালে কৃষকের নাস্তার পিঁড়িতে হাজির হয় আর্শীবাদ হয়ে। দিনের প্রচণ্ড রোদ্রের মোকাবেলা জন্যে প্রস্তুত করে তোলে তাঁকে।এছাড়াও এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। “বিশেষ করে, বয়ঃসন্ধিকালে মেয়েদের যে আয়রনের অভাবে হয়, নিয়মিত পান্তা ভাত খাওয়া সেই অভাব পূরণে সহায়তা করতে পারে।”

সুস্বাদু পান্তা ভাত বানাতে লাগবে:

২ কাপ চাল

প্রয়োজন অনুযায়ী জল

২কাপ মুসুর ডাল

স্বাদ অনুযায়ী লবন

১ টি পেঁয়াজ কুচি

১ টি কাঁচা পেঁয়াজ

১ টা গন্ধরাজ লেবু

১ চা চামচ সরষের তেল

২ টি শুকনো লঙ্কা

২ চা চামচ কাঁচা লঙ্কা কুচি

২ চা চামচ সাদা তেল

পদ্ধতি:

প্রথমে হাড়ি তে চাল ধুয়ে জল দিয়ে ভাত করে নিতে হবে।ভাত হয়ে গেলে ফ্যান ঝড়িয়ে ঠান্ডা হতে দিতে হবে।ভাত ঠান্ডা হয়ে গেলে তাতে জল দিয়ে রাখতে হবে।

মুসুর ডাল ২ ঘন্টা জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে।এবার জল ঝড়িয়ে বেটে নিতে হবে।

এবার ও তে কাঁচা লঙ্কা কুচি, পেঁয়াজ কুচি ও লবন দিয়ে মাখিয়ে ভেজে নিতে হবে।

শুকনো লঙ্কা তেলে ভেজে নিতে হবে।

এবার জল দিয়ে ভেজা ভাত,গন্ধরাজ লেবু, শুকনো লংকা ভাজা,কাঁচা পেঁয়াজ,কাঁচা তেল ও মুসুর ডালের বড়া,,,, গ্রীষ্মের দুপুরে শান্তির খাবার।

Related Articles

Back to top button