সোশ্যাল মিডিয়া ব্যাবহারকারীদের চোখ এড়িয়ে যায় না কিছুই। খুঁটিনাটি সবটাই নজরে আসে নেটিজেনদের। তেমনই ফেসবুক ব্যাবহারকারীদের অনেকেই জানেন পরিচালক সৃজিত মুখার্জীর ফেসবুক পোস্টে কথায় কথায় ইংরাজী ‘W’ লেখার অভ্যাসের কথা। বিষয়টি নিয়ে কমবেশি সকলেই মজা উপভোগ করলেও কেঊই জানেন না এমন হাস্যকর বানান লেখার আসল কারণ টা কি!
এখন সবাই জানেন সৃজিত মুখার্জীর পোস্ট মানেই পোস্ট মানেই ‘W’ এর আধিক্য। বাংলা ইন্ডাস্ট্রির প্রথম সারির পরিচালকদের মধ্যে প্রথমেই আসে তাঁর নাম। অথচ বাংলা হরফে পোস্ট করতে দেখা যায় না তাঁকে। উল্টে রোমান হরফে বাংলা লিখতেই বেশী দেখা যায় পরিচালক মশাইকে। আর এই রোমান হরফে বাংলা লিখতে গিয়েই ইংরেজি ‘ডব্লিউ’ অক্ষরটি খুব বেশি ব্যবহার করেন সৃজিত।
এই বিষয়টি নিয়েই নেটপাড়ায় নেটিজেনদের মধ্যে হাসি,ঠাট্টা,রসিকতা, কটাক্ষ, মিমের ছড়াছড়ি। এহেন পোস্টের কমেন্ট সেকশনে প্রত্যেক বারেই ট্রোলের মুখে পড়তে হয় পরিচালককে। চলতে থাকে কসৃজিতের লেখার স্টাইলকে নকল করে ঠাট্টা, মশকরা। এ নিয়ে আজ পর্যন্ত কখনও ক্ষোভ প্রকাশ করেননি সৃজিত, বরং নিজেকে নিয়ে ট্রোল নিজেই শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।
এমনিতে বরাবরই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত অ্যাক্টিভ থাকেন সৃজিত। ক্রিকেট থেকে সিনেমা, পেটপুজো থেকে পলিটিক্স সব ব্যাপারেই তিনি নিজের মূল্যবান মত প্রকাশ করতে পিছপা হননা। সম্প্রতি নতুন বছরের শুরুতেই সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে নিজের লেখায় W ব্যবহার করার আসল কারণ জানিয়েছেন পরিচালক।
ফেসবুক পোস্টে আবারও সেই একই কায়দায় অতিরিক্ত W ব্যবহার করে সৃজিত লিখেছিলেন, ‘যারা সকাল থেকে জিজ্ঞেস করছেন তাদের জানাই শুভ নববর্ষ। হ্যাঁ, এটাই সঠিক বানান। বেনীমাধব শীল, রেন অ্যান্ড মার্টিন এবং দুলালচন্দ্র ভর দ্বারা অনুমোদিত’। এই পোস্ট দেখে বোঝাই যাচ্ছে রীতিমত শ্লেষাত্মক ভঙ্গিতে ট্রোলারদের মুখের ওপর সপাটে চড় কষিয়েছেন সৃজিত। আসলে, সৃজিত মুখার্জী ফোনেটিক বা উচ্চারণের ভিত্তিতে রোমান হরফে বাংলা লেখেন।যার ফলে, অ হয়ে যায় Aw কিংবা ফ হয়ে যায় Phaw।