গসিপবিনোদন

টলিউডে রেপ হয় না, দুজনের সম্মতিতেই সবটা হয়! ইন্ডাস্ট্রির নোংরামি নিয়ে বিস্ফোরক শ্রীলেখা মিত্র

টলিউডের নামী অভিনেত্রী (Tollywood actress) শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra) এমন একজন ব্যক্তিত্ব যিনি নিজের মনের কথা প্রকাশ্যে বলতে একেবারেই ভয় পান না। ইন্ডাস্ট্রির নোংরামি থেকে শুরু করে স্বজনপোষণ, টলি সুন্দরী বহুবার বহু বিতর্কিত বিষয় নিয়েই প্রকাশ্যে নিজের মুখ খুলেছেন। সেই কারণেই ইন্ডাস্ট্রিতে অভিনেত্রীর বন্ধুর সংখ্যাও বেশ কম।

বহু সময় ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বলে অনেকের চক্ষুশূল হয়েছেন শ্রীলেখা। যদিও সেই কারণে কোনোদিন আপোষ করেননি তিনি। বহুদিন আগে যেমন একবার নিজের এক সাক্ষাৎকারে টলিউডের অন্ধকার দিক নিয়ে বেশ কিছু বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি ফের সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

Sreelekha Mitra

এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতার সময় শ্রীলেখা বলেছিলেন, ইন্ডাস্ট্রিতে অনেকেরই আত্মসম্মান বোধ নেই। তবে তিনি কাউকে তেল দিয়ে চলতে পারেন না। তার মন যে জিনিসে সায় দেয় না, তিনি সেই জিনিস করেন না। আর এই কারণেই বাকিদের থেকে কম কাজ পান তিনি।

এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়েই শ্রীলেখা এরপর বলেন, টলিউডে কাজ পেতে গেলে একজন নায়ক কিংবা পরিচালকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থাকলে বছরে দু’টো ছবি বাঁধা থাকেই। এই জন্যই তাহলে তিনি স্রেফ প্রসেনজিৎ’এর বোন হয়েই থেকে গেলেন? কারণ সেই সময় প্রসেনজিৎ’ই ‘ইন্ডাস্ট্রি’! বেশ কিছু নায়িকার সঙ্গে অভিনেতার জুটিও বেশ জমেছিল।

Prosenjit Chatterjee

তবে শ্রীলেখার সঙ্গে নাকি কোনও অজ্ঞান কারণে বুম্বাদা আর কাজ করতে চাননি। অভিনেতার মতে, জুটি হলে হয়তো প্রেম থাকতেই হয়। উত্তম সুচিত্র জুটি, প্রাক্তন… কিন্তু শ্রীলেখার ক্ষেত্রে সবাই ‘বাডি’ হয়েই থেকে গিয়েছেন। আর সেই কারণেই তাঁর প্রেমটা আর করা হয়নি।

সবশেষে ইন্ডাস্ট্রির ‘কাস্টিং কাউচ’ নিয়ে মুখ খোলেন শ্রীলেখা। অভিনেত্রী জানান, তিনি যখন ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছিলেন সেই সময় এই সমস্যাটা প্রচুর পরিমাণে ছিল। টলি সুন্দরী জানান,গোবিন্দার বিপরীতে একটা হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করার কথা ছিল তাঁর। পরিচালক তাঁকে সাবস্ক্রিপ্ট পড়ে শোনানোর জন্য ডেকেছিলেন এবং তিনি নিজের ভাইকে নিয়ে গিয়েছিলেন। খাওয়াদাওয়া, গল্প সব হয়েছিল কিন্তু স্ক্রিপ্ট আর পড়ে শোনাননি পরিচালক। শ্রীলেখার কথায়, দু’জন পদক্ষেপ না নিলে তো এগোনো যায় না। তাই কোনোদিন টলিউডে ধর্ষণ হয় না। শুধু একজনের ইচ্ছে বা অ্যাম্বিশনকে একটু উস্কে দেওয়া হয়।

Related Articles

Back to top button