বাঙালির কাছে সৌরভ গাঙ্গুলী (Sourav Ganguly) মানেই আট থেকে আশি সবার কাছেই প্রিয় দাদা। কিন্তু মুখে দাদা বলে সম্বোধন করলেও আজও গোটা বাংলা জুড়ে বর্তমান বিসিসিআই প্রেসিডেন্টের মহিলা ভক্তদের সংখ্যা নেহাত কম নয়। বাংলার জনপ্রিয় নন ফিকশন শো দাদাগিরির মঞ্চে সেকথা সাধারণ মানুষ থেকে সেলিব্রেটি নিজে মুখেই বলেন সকলেই।
এখনও বাংলার অসংখ্য মহিলারা সরাসরি সৌরভ গাঙ্গুলী কে জানান তিনি তাদের আজীবনের ক্রাশ।সেকথা শুনে লজ্জায় লাল হয়ে যান সৌরভ নিজেও। দাদাগিরির মঞ্চে স্ত্রী ডোনা গাঙ্গুলীকে (Dona Ganguly) নিয়েও মাঝে মধ্যেই রসিকতা করে থাকেন সৌরভ। তাই কখনও তার ক্রিকেট জ্ঞান সম্পর্কে আবার কখনও রান্না করা নিয়ে মজা করে থাকেন সৌরভ।
সেসব নিয়ে অভিমান না থাকলেও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সৌরভ পত্নী ডোনা জানিয়েছেন ‘সৌরভের বউ হওয়ার সুবিধে এবং অসুবিধে দুইই আছে।’ আসলে সেলিব্রেটিদের মধ্যে আজকাল স্বজনপোষন কথাটা দারুণ প্রচলিত। তাই অনেকেরই ধারণা, শুধু মাত্র সৌরভের স্ত্রী হওয়ায় সুবাদেই তার নাচের দল এত জায়গায় অনুষ্ঠান করার সুযোগ পাচ্ছে।
তাই সৌরভের স্ত্রী হওয়ার ‘অপরাধে’ কখনও কখনও শো থেকে বাদও পড়তে হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডোনা। তবে সৌরভ পত্নীর অবশ্য দাবি,’ এভাবে যারা আমাদের বাদ দিয়েছেন তারা আমাদের অনুষ্ঠান না দেখেই এমনটা করেছেন। যাঁরা দেখেন, তাঁরা বোঝেন আমরা কোথায় আলাদা।’ প্রসঙ্গত সৌরভ এবং ডোনা দুজনেই একেবারে ভিন্ন পেশার মানুষ।
কিন্তু সেজন্য তাঁদের দাম্পত্য জীবনে কখনও কোনো প্রভাব পড়েনি। ডোনা এবং সৌরভ দুজনেই বরাবরই নিজেদের কাজটা মন দিয়ে করেন। তাই ডোনার কথায়, ‘আমরা দু’জন দু’জনের জায়গায়। সৌরভও এসে নেচে দিয়ে যাবে না, আমার নাচটা আমাকেই নাচতে হবে। ঠিক তেমনই আমিও গিয়ে ওঁর ক্রিকেটটা খেলে দিয়ে আসতে পারব না।’ সেইসাথে সৌরভ পত্নী জানান তাঁদের মেয়ে সানার (Sana) নাচ বা ক্রিকেট কোনোটাতেই আগ্রহ নেই। আপাতত সে লন্ডনে অর্থনীতি পড়াশোনা করতে ব্যস্ত।