গসিপবিনোদন

ভারী রোমান্টিক মানুষ দাদা! বিয়েতে ডোনাকে এই বহুমূল্যবান দুর্লভ উপহার দিয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি

বাংলার আইকন তিনি, ক্রিকেটের ‘মহারাজা’, আর আমাদের সবার প্রিয় ‘দাদা’ তিনি। তিনি সৌরভ গাঙ্গুলি (Sourav Ganguly)। সারা বিশ্বের কাছে আজও বাঙালি কলার তোলে সৌরভ গাঙ্গুলির নামেই। বিশ্বের তাবড়-তাবড় স্টেডিয়ামে ছক্কা হাঁকিয়ে বল বাইরে পাঠিয়েছেন তিনি। তবে সারা বিশ্বে তার যতই দাপট থাক সৌরভ কিন্তু আর ৫ টা বাঙালির মতোই পত্নী নিষ্ঠ ভদ্র লোক।

এত্ত জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছেও স্ত্রী ডোনার কাছে তিনি এক্কেবারে গোবেচারা। তাদের মিষ্টি প্রেম কাহিনি নিয়ে চর্চা লেগেই থাকে৷ এমনকী তাঁদের দাম্পত্য জীবনে পদার্পনের ইতিহাসও হার মানায় রূপকথার গল্পকেও। সৌরভ-ডোনার প্রেমের সূত্রপাতের কালে কলকাতা ছিল একেবারে অন্য মেজাজে। প্রেম সে যেন মধ্যবিত্ত বাঙালীর জীবনে গর্হিত অপরাধ। আর ঠিক সেই সময়েই ডোনার হাত ধরারা সাহস দেখিয়েছেলেন গাঙ্গুলী বাড়ির এই সুদর্শন যুবক।

অনেকেই বলেন সৌরভ-ডোনার প্রেম প্রেমকাহিনী ছিল একেবারে সিনেমার মতন।তাই ছোটবেলা থেকেই ডোনা এবং সৌরভ দু’জনেই ছিল খেলার সঙ্গী। ছোট থেকে একসাথে বেড়ে উঠেছেন দুজনে। যৌবনে যা রূপ নেয় ভালোবাসার। এমনকী প্রাথমিক ভাবে সম্পর্কে একাধিক বাধা এলেও সৌরভই নাকি প্রথম সাহস করে বাবা চন্ডীদাস গাঙ্গুলীকে সবটা খুলে বলেন। দেন ডোনাকে বিয়ের প্রস্তাব। এরপরই মহা ধুমধাম করে ১৯৯৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বিয়ে হয় তাদের। তারপর প্রায় তিন যুগ কেটে গেলেও আজও অটুট রয়েছে সেই বাঁধন।

Sourav Ganguly Dona Ganguly Love Story

২৬ টা বছর একে অপরের হাত ধরে কাটিয়ে দিলেন সৌরভ ডোনা। তাদের একটি মাত্র কন্যা সানাও সৌরভের চোখের মন। জি বাংলার জনপ্রিয় শো দাদাগিরিতে মাঝেমধ্যেই স্ত্রী এবং মেয়ের প্রসঙ্গে নানান হাসি মজা করতে দেখা যায় মহারাজাকে৷ বিভিন্ন প্রতিযোগীদেরও দাদার দাম্পত্য জীবন নিয়ে কৌতুহলী হয়ে একাধিক প্রশ্ন করে থাকেন, খুব মেপে তার দুর্দান্ত উত্তরও দেন দাদা।

সম্প্রতি দাদাগিরির একটি পর্বে উপস্থিত হয়েছিলেন বিখ্যাত গায়ক সিধু। সেখানেই সৌরভ ডোনার প্রেমের এক অজানা কাহিনি ফাঁস করেন তিনি। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি পুরোনো সাক্ষাত্কারের অংশ পড়ে শোনাচ্ছেন সিধু। যেখানে সৌরভ পত্নী লিখেছিলেন, ‘বিয়ের দিন রাতে সৌরভ আমার জন্য এক সারপ্রাইজ রেখেছিল। লর্ডসে খেলতে গিয়ে ‘ম্যান অফ দ্য ম্যাচ’ হয়ে সে যে সোনার ব্রিটিশ মুদ্রাটি পায় তাকে লকটে করে একটা মোটা সোনার চেন দিয়ে সুন্দর ডিজাইন করে রাতে সেটি আমার গলায় পরিয়ে দিয়েছিল’। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই লজ্জায় লাল দাদা।

Related Articles

Back to top button