যেখানে ম্যাগী বানাতেই ২ মিনিট পার, সেখানে ৫৮ মিনিটে ৪৬ পদ রান্না করে বিশ্বরেকর্ড কিশোরীর


বেঁচে থাকতে গেলে খাবার খেতেই হবে আর খাবার খেতে গেল রান্না করতে হবে। মূলত বাড়িতে ছোটদের রান্নাবান্না নিয়ে কোনো ঝামেলার বিষয় থাকে না। মা বাবা রয়েছেন তাদের খাবারের চাহিদা পূরণের জন্য। আরো ভালোভাবে বলতে গেলে মা রয়েছেন। মা সন্তানদের খিদতে পেলে নিমেষের মধ্যেই খাবার বানিয়ে হাজির করে মুখের সামনে। কিছু কিছু সময় রান্নার স্পিড দেখলে মনে হয় যেন কম্পিটিশন চলছে। তবে যে কোনো ভালো রান্নাই একটু সময় সাপেক্ষ।

এই যেমন ধরুন হোস্টেল বা বাড়ির বাইরে থাকলে সব থেকে সোজা খাবার হল ম্যাগী। ম্যাগী বানানোর জন্য নাকি মাত্র ২ মিনিট লাগে আর তাতেই কি সুন্দর খাবার রেডি! একথা কিছুটা কিছুটা সত্যি হলেও তা টিভির বিজ্ঞাপনের ধারে কাছেও যায় না। কারণ বাড়িতে ম্যাগী বানানোর সময় মূলত জল ম্যাগী আর মশলা দিয়েই কাজ মিটে যায়। সবজি দেবার কোনো অবকাশই থাকে না। কিন্তু আপনাকে যদি বলি ১ ঘন্টার কম সময়ে ৪৬টি রান্না সম্ভব কি না ?

Most cooking under 1 hour world record

আপনাদের মধ্যে অনেকের থেকেই উত্তর আসবে তাও আবার সম্ভব নাকি! কিন্তু এবার এই অসম্ভবকেও সম্ভব করে দেখিয়েছে এক কিশোরী। মাত্র ৫৮ মিনিটের মধ্যেই ৪৬টি রান্নার আইটেম বানিয়ে ফেলেছে সে। সত্যি চমকে দেবার মত খবর তাই না? ঘটনাটি ঘটেছে জাদু কি নগরী মুম্বাইতে। তামিলনাড়ুর এক কিশোরী এই অসম্ভব কাজ সম্ভব করে দেখিয়ে রীতিমত বিশ্ব রেকর্ড করে ফেলেছে। মেয়েটির নাম লক্ষী সাই শ্রী, বর্তমানে তার বয়স সবে মাত্র ১৫ বছর।

Most cooking under 1 hour world record

যেমনটা জানা যাচ্ছে ছোট থেকেই রান্নার প্রতি একটা আলাদাই ঝোক ছিল শ্রীর। বাড়িতে মাকে রান্না করতে দেখেইরেন্না শেখ তার। গতবছর লকডাউনে স্কুল ছুটি থাকার কারণে অনেক রান্না শিখেছে সে। এরপরই শ্রীর বাবার মাথায় রান্নার প্রতিযোগিতায় অংশ নেবার চিন্তা আসে। এরপর লক্ষীর দ্রুত রান্নার প্রতিভা দেখে বিশ্ব রেকর্ডে অংশ নিতে উদ্বুদ্ধ হন শ্রীর বাবা। তারপর যা হল, সেটা বিশ্ব রেকর্ড। ছোট্ট বয়সেই ১ ঘন্টার কম সময়ে ৪৬টি রান্না করে কিশোরী।

মেয়ের এমন বিশ্ব রেকর্ডে খুশি তার গোটা পরিবার। শুধু তাই নয় শ্রী নিজেও খুব খুশি যে সে তামিলনাড়ুর নাম উজ্বল করেছে গোটা বিশ্বের দরবারে। প্রসঙ্গত, এর আগে কেরালার একটি মেয়ের কাছে ছিল এই দ্রুত রান্না করার রেকর্ড। মোট ৩০ টি পদ রান্না করে রেকর্ড করেছিল সানভী। লক্ষ্মী সাই শ্রীর মতে তাকে দেখেই  আমি আরো এই চ্যালেঞ্জের জন্য উদ্বুদ্ধ হই।