খবরবিনোদনসিরিয়াল

লকডাউনেও সাহায্য পাঠিয়েছিল সিদ্ধার্থ, শেষকৃত্যের পর বললেন বালিকা বধূ অভিনেত্রী প্রত্যুষার বাবা

গত বৃহস্পতিবার প্রয়াত হয়েছেন অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্লা (Sidharth Sukla)। কিন্তু তার এই হটাৎ চলে যাওয়া যেন মেনে নিতে পারছেন না কেউই। মাত্র ৪০ বছর বয়সে এভাবে যে তিনি চলে যেতে পারেন এটা তার পরিবার আত্মীয় স্বজন থেকে শুরু করে বিটাউনের কাছেও অভাবনীয়। কিন্তু মানতে না পারলেও আর কোনো দিন ফিরবেন না সিদ্ধার্থ। গতকাল শুক্রবারই সম্পন্ন করা হল তার শেষকৃত্য।

প্রিয়  অভিনেতাকে বিদায় জানাতে কেঁদে উঠেছিল আকাশটাও। বৃষ্টির মধ্যেই ওশিওয়ারা শ্মশানে সিদ্ধার্থের অন্তিম সংস্কার সারা হয়। শ্মশানের সামনে অজস্র মানুষ ভিড় জমিয়েছিলেন একটিবার শেষ দেখা দেখবেন বলে।  আসলে সিদ্ধার্থ অভিনেতা হিসাবেও যেমন ভালো ছিলেন তেমনই খুব ভালো মনের মানুষ ছিলেন। এই কথা বিটাউনে প্রায় প্রত্যেকেরই মানতে কোনো দ্বিধা নেই।

বালিকা বধূ সিরিয়াল থেকে শুরু করে বিগবসের বিজেতা হওয়া সিদ্ধার্থ সত্যি বড় মনের মানুষ। বালিকা বধূ শেষ হয়েছে বেশ কয়েক বছর হল। সিরিয়ালে অভিনেত্রী প্রত্যুষা ব্যানার্জীর সাথে অভিনয় করেছিলেন সিদ্ধার্থ। কিন্তু ২০১৬ সালে প্রত্যুষা মারা যান। তবে তাঁর পরিবারের সাথে যোগাযোগ রেখেছিলেন সিদ্ধার্থ। প্রত্যুষার বাবা শঙ্কর ব্যানার্জী জানাচ্ছেন, মহামারী কালেও সিদ্ধার্থের মনে ছিল আমাদের কথা।

লকডাউনের সময় নিজেই খোঁজ নিয়েছিলেন প্রত্যুষার পরিবারের। একপ্রকার জোর করেই তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়েছিলেন ২০ হাজার টাকা। এরপরেও বারবার বলেছিলেন আর কোনো সাহায্য লাগবে কি না। এরপর সিদ্ধার্থের মৃত্যুর খবর পেয়ে শোকাহত হয়ে পড়েছেন প্রত্যুষার বাবাও।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে যখন প্রত্যুষ মারা যায় তখন অনেকেই সিদ্ধার্থের সাথে তার সম্পর্ক নিয়ে নানা কথা বলেছিল। সিদ্ধার্থের প্রত্যুষার বাড়ি যাওয়া নিয়েও সৃষ্টি হ  হয়েছিল বিতর্কের। যার ফলে প্রত্যূষাদের বাড়ি যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ। কিন্তু যোগাযোগ কিন্তু ঠিকই বজায় রেখেছিলেন সিদ্ধার্থ। মেয়ে চলে যাবার পর সিদ্ধার্থ তাদের পরিবারেরই একজন হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধার্থও আজ চলে গেল।

Related Articles

Back to top button