গসিপবিনোদন

আজও বুকে লেখা প্রাক্তন প্রেমিক ফারহানের নাম, বাবা পেতেছেন অন্য সংসার! প্রত্যুষার জীবন যেন সিনেমা

গত কয়েকদিন আগেই সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছিল টেলি নায়িকা প্রত্যুষা পালের (Pratyusha paul) নাম। অভিনেত্রী অভিযোগ করেছিলেন গত একবছর ধরেই নাকি লাগাতার ধর্ষণের হুমকি পেয়ে আসছেন তিনি। তার ছবি বিকৃত করে পর্ণসাইটেও (porn site) আপলোড করা হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। অবশেষে আর উপায় না দেখে বেশ ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে লালবাজারের দারস্থ হন প্রতুষ্যা। এবার এই মামলায় বৃহস্পতিবার ঐশিক মজুমদার বলে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ।

সংবাদ মাধ্যমের তরফে প্রত্যুষার সঙ্গে যোগাযোগ হলে তিনি জানান, যেই প্রোফাইল ব্যবহার করে প্রত্যুষাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল তার মাথা এই ঐশিক। জানা যাচ্ছে, ছেলেটি নাকি অভিনেত্রীকে ভীষণ রকম পছন্দ করেন তাই সে এগুলো করছে। ছেলেটির বাড়ি প্রত্যুষার বাড়ি থেকে খুব বেশি দূরে নয়, তাই নিরাপত্তাহীনতায় এখনও ভুগছেন অভিনেত্রী। কিন্তু, গ্রেফতারির পর প্রত্যুষার পরিবারের চিন্তা কিছুটা হলেও কমেছে।

অভিনয় জগতে এসেই একটু একটু করে সুখ খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন এই টেলি অভিনেত্রী। ৩ বছর বয়সেই প্রত্যুষার বাবা তার মা এবং তাকে ছেড়ে অন্য সংসার পাতেন। ছোট থেকেই লড়াই সংগ্রাম মাঝে বেড়ে উঠেছেন অভিনেত্রী। মা, দাদু আর দিদার সঙ্গেই থাকেন অভিনেত্রী। তাই ১৬ বছর বয়স থেকেই রোজগার করে আসছেন প্রত্যুষা।

ব্যক্তিগত জীবনেও অসংখ্য প্রতিবন্ধকতা প্রত্যুষার। ২০১৭ সাল থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ফারহান ইমরোজের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল প্রত্যুষার। ‘তবু মনে রেখো’ ধারাবাহিকের সুবাদেই প্রত্যুষার সাথে সম্পর্ক জমাট বাঁধে ফারহানের। বেশ খুল্লামখুল্লাই প্রেম করতেন তারা। কিন্তু একবছর যেতে না যেতেই সেই সম্পর্ক থেকে বেড়িয়ে যান ফারহান। দু’জনে দক্ষিণ কলকাতায় ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে লিভ-ইন করতেও শুরু করেছিলেন।

প্রত্যুষার কথায় কোনো কারণ ছাড়াই তাকে ছেড়ে দিয়েছেন ফারহান। আজও অভিনেত্রীর বুকে জ্বলজ্বল করছে ইংরেজিতে ফারহানের নাম লেখা ১২ ইঞ্চির ট্যাটু। অভিনেত্রীর কথায়, ‘বললে কেউ বিশ্বাস করবেন না, আমরা কেন আলাদা হলাম, তার কারণ আজও আমার কাছে স্পষ্ট নয়। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাস। আগের দিন রাতেও সব ঠিক ছিল। হঠাৎ পর দিন সকালে উঠে ফারহান বলে, ‘‘আমি বাড়ি যাচ্ছি, কাল দেখা করব।’’ তার পর… আর ফেরেনি। ফোন ধরেনি। দেখা করেনি। উধাও!’

Related Articles

Back to top button