গসিপবিনোদনসিনেমা

একসময় হিন্দি শুনে দুরছাই করত সকলে! সেই ‘সার্কাসের মেয়ে’ নোরা আজ কাঁপাচ্ছে বিটাউন

নোরা ফতেহির (Nora Fatehi) নাম শুনতেই আমাদের সকলের চোখের সামনে প্রথমেই ভেসে ওঠে ‘ও সাকি সাকি’, ‘দিলবর’ গানে তাঁর লাস্যময়ী আইটেম ডান্স (Item Dance)। নোরা যখন নাচেন তখন তাঁর শরীর যেন এক অন্য ছন্দে কথা বলে ওঠে। এমনিতেই তাঁর নাচের ছন্দে কাবু গোটা দেশ। তাই এখন বলিউডে আইটেম ডান্স মানেই পরিচালকদের কাছে প্রথম অপশন নোরা ফাতেহি।

সাফল্য কারও জীবনেই রাতারাতি আসে না। ব্যাতিক্রম নন নোংরা। আজ তিনি সাফল্যের যে চূড়ায় রাজ করছেন সেখানে পৌছানোর যাত্রাপথ মোটেই সহজ ছিল না। ২০১২ সালে ভারতে আসার পর থেকেই একের পর এক বিজ্ঞাপনে কাজ করতে শুরু করেন তিনি।ভারতে আসার পর থেকেই একের পর এক বিজ্ঞাপনে কাজ করতে শুরু করেন তিনি। এমনকি প্রথম দিকে বিজ্ঞাপনে কাজ করেও টাকা পাননি তিনি।

এমন একটা সময় ছিল যখন নোরা স্পষ্ট হিন্দি বলতে পারতেন না। তাই একাধিক ছবি থেকে বাদ পড়তে হত তাঁকে। সম্প্রতি বলিউডে নিজের কেরিয়ারের শুরুর দিকের স্ট্রাগল নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট বলেছেন ‘হিন্দি শিখতে শুরু করেছিলাম। কিন্তু অডিশনের সময় ভয়ানক অবস্থা হত আমার। মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতাম না। ‘

সেইসাথে নোরার আরও সংযোজন ‘নিজেকে খুব বোকা মনে হত। কিন্তু কিছু মানুষ তো ক্ষমা করেন না। সামনাসামনি হাসাহাসি করতেন তাঁরা। বলতেন, আমি সার্কাস থেকে এসেছি। আমাকে বুলি করেছেন তাঁরাই। খুব অসম্মানজনক বলে মনে হয়েছে আমার। বাড়ি ফেরার সময় কাঁদতাম।’সেইসাথে নোরার অকপট স্বীকারোক্তি,’কাস্টিং এজেন্টরা আমার উপর চিৎকার করতেন। বলতেন, ‘তোমাকে আমাদের এখানে দরকার নেই। চলে যাও.. ‘

তবে জীবনের কঠিনতম পরিস্থিতিতেও নিজের লক্ষ্য থেকে এক চুলও সরে আসেননি অভিনেত্রী। সময় তাঁকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। তাই পাঁচ বছর আগের নোরার সাথে আজকের নোরার কোনো মিল নেই।এতকিছু সহ্য করার পর এখন হাসি মুখেই নিজেকে দিব্যি সামলে নিতে পারেন নোরা। পাঁচ বছর আগে এই বিষয়গুলি তাঁর কাছে সহজ ছিল না একেবারে। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এখন আমি হাসাহাসি করি। আমার বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলি আর হাসি। কিন্তু তখন বাড়ি ফেরার সময় রিক্সায় বসে কাঁদতে থাকতাম।’

Related Articles

Back to top button