বিনোদনসিনেমাসিরিয়াল

হিংসা কিংবা প্রতিযোগিতা নেই, রয়েছে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা! তৃণার নতুন সফর নিয়ে অকপট নীল

ছোট পর্দা দিয়ে অভিনয়ে হাতেখড়ি হলেও সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে দিনে দিনে আরও এগিয়ে চলেছেন বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃণা সাহা (Trina Saha)। এমনিতে বর্তমানে ছোটপর্দার জনপ্রিয় সিরিয়াল খড়কুটোর (Khorkuto) গুনগুন চরিত্রে অভিনয়ের সুবাদে দর্শকমহলে নজরকাড়া ফ্যান ফলোয়িং রয়েছে অভিনেত্রীর। অভিনেত্রীর পেশাদার জীবনে একের পর এক ঘটে চলেছে নিত্যনতুন ঘটনা।

সেদিক দিয়ে দেখতে গেলে নিজের অভিনয় জীবনে একের পর এক মাইলস্টোন তৈরি করে চলেছেন তৃণা । ইতিমধ্যেই টলিপাড়ার দুই খ্যাতনামা পরিচালক অরিন্দম শীল (Arindam Sheel) এবং সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের (Srijit Mukherjee) সাথে সিনেমা করার প্রস্তাব পেয়েছেন অভিনেত্রী। বর্তমানে অরিন্দম শীলের আসন্ন সিনেমা ‘ইস্কাবনের বিবি’-এর শুটিংয়ের কাজে মুম্বাই রয়েছেন তৃণা।

আর তার স্বামী নীল ভট্টাচার্য (Neel Bhattacharya) অর্থাৎ ছোট পর্দার অভিনয় রয়েছেন কলকাতায়। তিনিও এখানে ব্যস্ত উমা সিরিয়ালের শুটিংয়ের কাজে। তাই তারা দুজনেই যেহেতু একই পেশার সাথে যুক্ত তাই স্বামী হিসাবে স্ত্রী তৃণার এই সাফল্যে পর্দার ছোট কর্তা একইসাথে আনন্দিত এবং গর্বিত। সম্প্রতি এ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমে অভিনেতা বলেছেন ‘অবশ্যই। আনন্দিত, গর্বিত যা বলবেন। একা আমি নই, আমাদের দুই পরিবারেও খুশির আমেজ। তৃণার একের পর এক উন্নতি। আমরা হাওয়ায় ভাসছি।’


প্রসঙ্গত বড় পর্দায় অভিনয় মানেই স্ত্রী পেশার জগতে আরও ব্যস্ত হয়ে পড়বেন। তাহলে ঘর-সংসারের কী হবে! এমন প্রশ্ন কি এসেছে নীলের মনেও? এপ্রসঙ্গে স্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়েই গর্বিত স্বামীর মতো নীল বলেছেন, ‘‘এটা বরং বেশি ভাল হল। ছোট পর্দায় কাজ মানেই ৩০ দিনের ব্যস্ততা। বড় পর্দার কাজ এখন ১৫-১৮ দিনের মধ্যেই হয়ে যায়। ফলে, তৃণা কাজও করবে। অবসরও পাবে। আমিও ওকে বেশি করে পাব। তবে বড় পর্দায় কাজ মানেই তৃণা ছোট পর্দায় ছাড়ছেন না। দ্বিধাহীন ভাবে নীলের দাবি ‘যখন যেমন, তখন তেমন। দুই পর্দাতেই ভাল কাজের ডাক পেলে করবে।’


দুজনেই অভিনয় জগতের মানুষ হওয়ায় অনেক সময় দেখা যায় স্বামীরাও স্ত্রীর পরিচয়ে পরিচিত হয়। নীলের ক্ষেত্রেও যদি তেমন হয়! এপ্রসঙ্গে অভিনেতা বলেছেন, ‘পাঁচ-সাত বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে। নিজেদের পরিচয় তৈরি করে ফেলতে পেরেছি দু’জনেই। তাই একে অন্যের পরিচয়ে পরিচিত হতে হবে, এই ভাবনা কোথাও নেই। পাশাপাশি ভয়, হিংসা, নিরাপত্তার অভাববোধ, প্রতিযোগিতা— কিচ্ছু নেই আমাদের মধ্যে।আছে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা। একে অন্যকে দেখে শেখা। উদ্বুদ্ধ হওয়া। অনুপ্রাণিত হওয়া। আরও ভাল কাজ করার ইচ্ছে তৈরি হওয়া।’

Related Articles

Back to top button