এবার বড়সড় চাপে পড়তে চলেছে মিঠুন চক্রবর্তী, জমি খালি করার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট


বাঙালি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীকে ছোট থেকে বড় প্রায় সবাই চেনে। এক কালে একচেটিয়া রাজত্ব করেছিলেন এই অভিনেতা বাংলা চলচিত্র জগতে, এখন দেখা যায় রিয়ালিটি শোতে। কিন্তু

২০১০ সালে তামিলনাড়ু সরকারের প্রকাশিত নোটিফিকেশনকেই মান্যতা দিয়ে তা বহাল  রাখল সুপ্রিম কোর্ট। যেই নোটিশ তামিলনাড়ুর সিগুর মালভূমিকে “এলিফ্যান্ট করিডোর (Elephant Corridor)” বলা হয়েছিল। ২০১০ সালে মাদ্রাজ হাইকোর্ট এই “এলিফ্যান্ট করিডোরের” জমি খালি করার নির্দেশ জারি করে। সেখানে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী সহ আরো অন্যান্য ব্যক্তিগত মালিকানা যুক্ত জমি আছে, যেগুলি সরকারের অধিগ্রহনের কথা। বুধবার ২০১০ সালের এই রায়কেই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট।

প্রধান বিচারপতি এস এ বাবদে, বিচারপতি এস আব্দুল নাজির ও বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চ এদিন মাদ্রাজি হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে মাদুরাইয়ের হোটেল সংস্থা ও মিঠুন চক্রবর্তীর আবেদন সহ মোট  ৩৫টি আবেদনের বিষয়ে এই রায় দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের মতে হাতির অস্তিত্ব বর্তমানে সংকটের মধ্যে রয়েছে, তাছাড়া হাতি ভারতের ঐতিহ্যবাহী একটি প্রাণী। ঐতিহ্যবাহী হাতিরা আজ মারাত্মক বিপদে রয়েছে যা  শুধু হাতি না সমস্ত বন্যজীবনকে প্রভাবিত করছে।

এদিন বিচারপতিদের বেঞ্চ আরো জানায়, বিগত কয়েক দশকে ভারতের জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে বেড়েছে সম্পদের চাহিদা। সেই চাহিদার যোগান বজায়  রাখতে কৃষি, রাস্তা ঘাট, বাঁধ,খনি ও রেলপপথ নির্মাণ এছাড়াও মানুষের বাসস্থানের জন্য জমির চাহিদা অনেক গুন্ বেড়ে গেছে। জমির এই চাহিদার  কারণেই দেশের এই বনাঞ্চলটি ক্ষতিগ্রস্ত।

এদিন হাইকোর্ট রিসোর্টের মালিকদের ও অন্যান্য বেসরকারি জমির মালিকদের তাদের জমি নীলগিরি ম্যাজিস্ট্রেটকে হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছে। হাকোর্ট বলেছে যে সাংবিধানিক বিধানগুলি রাজ্যকে রাজ্যগুলির পরিবেশ রক্ষা ও উন্নতির জন্য বন ও বন্যজীবন সংরক্ষণের অধিকার দিয়েছে।


Like it? Share with your friends!

653
653 points