বিনোদনভিডিওসিরিয়াল

ছুরি কাঁটা চামচ দিয়ে লুচি খাচ্ছে উচ্ছেবাবু! কান্ড দেখে চোখ কপালে মিঠাই থেকে বাড়ির সকলের

মিঠাই (Mithai) সিরিয়াল থেকে যেন চোখ সরানোই যাচ্ছে না আর! একেরপর এক ধামাকা হচ্ছে মোদক পরিবারে। প্রথমে মিঠাইয়ের সাথে থাকতে একেবারেই নারাজ ছিল সিদ্ধার্থ। সেই কারণেই মিঠাইয়ের সাথে ডিভোর্সর জন্য উঠে পরে লেগেছিল সে। এই সুযোগে মিঠাইকে বাড়ি থেকে বের করতে সমস্ত চেষ্টা করেছে সিডের প্রেমিকা তোর্সা। তবে সব কলকাঠি নাড়াই বিফলে গিয়েছে। কারণ শেষ পর্যন্ত মিঠাইকে ডিভোর্স দেবার থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন সিদ্ধার্থ।

রথযাত্রা স্পেশাল পর্বেই তোর্সার মুখের উপর সিদ্ধার্থ জানিয়ে দিয়েছে যে সে মিঠাইকে ডিভোর্স দিচ্ছে না। এরপর থেকেই বদলে গিয়েছে সিরিয়ালের কাহিনী। বাড়ির সকলের চাপে মিঠাইকে এক মাসের জন্য বৌয়ের মর্যাদা দিতে রাজি হয়েছে সিড। অর্থাৎ এক মাসের জন্য সিদ্ধার্থ আর মিঠাই এখন স্বামী স্ত্রী। এবার একমাস সংসার ধর্ম পালন করবে দাদুর রাগী নাতি।

স্বামী স্ত্রী হয়ে সংসার শুরুর হয় বিয়ের পর আর বিয়ের পরের দিন ফুলশয্যার মধ্যে দিয়েই আরম্ভ হয় সংসারের। সেই নিয়ম মত ডিভোর্সের পর আবার ফুলশয্যার আয়োজন হয়েছে মোদক পরিবারে। সুন্দর করে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে সিদ্ধার্থের ঘর। আর মিঠাইকে একেবারে অপরূপ সাজে হাজির করা হয়েছে সিদ্ধার্থের সামনে। এরপর মিঠাই নিচে শুতে গেলে সিদ্ধার্থ কোলে করে খাটে শুইয়ে দিয়েছে মিঠাইকে।

ডিভোর্সের পর সিদ্ধার্থ মিঠাইয়ের ফুলশয্যা Mithai Serial Flowerbed

শুধু তাই নয়, মিঠাইয়ের গয়না পরে ঘুমাতে অসুবিধা হচ্ছিল তাই মিঠাইয়ের গয়না খুলেও সাহায্য করেছে সিদ্ধার্থ। দরজার বাইরে থেকে সমস্ত কিছু শোনার জন্য আড়ি পেতে ছিল বাড়ির বাকিরা। তারাও এই কান্ড শুনে দারুন খুশি। পরদিন সকালেই সিদ্ধার্থর সামনে হাজির নতুন চ্যালেঞ্জ। বৌভাতের পরের দিন মিঠাইয়ের হাতের লুচি আলুর ডিম খেতে রাজি করানো হয়েছে সিদ্ধার্থকে।

কিন্তু মুশকিল হল উচ্চাবাবুর তেলের খাবার একেবারেই পছন্দ নয়। লুচিতে হাত দিয়েই ন্যাপকিনেই খোঁজ পড়েছে তাঁর, কারণ হাতে নাকি তেল লেগে গেছে। এরপর মিঠাই চোখের সামনে কাঁটা চামচ আর ছুরি এনে সেগুলো দিয়ে খাবে কিনা জিজ্ঞাসা করতেই মিঠাইয়ের থেকে কাঁটা চামচ আর ছুরি নিয়েই লুচি খেতে শুরু করেছে সিদ্ধার্থ। এমনভাবে লুচি খাওয়া কেউ কোনোদিন দেখে কিনা সন্দেহ আছে!

সিদ্ধার্থের খাওয়া দেখে মিঠাই থেকে বাড়ির বাকি সকলেরই চোখ কপালে ওঠার জোগাড় হয়েছে। এমনভাবেও যে লুচি খাওয়া যায় এটা কারোরই মাথায় আসেনি। তাছাড়া সিদ্ধার্থের খাওয়া দেখে রাজেন শেষমেশ বলে উঠেছে, ‘গোপাল সিদ্ধার্থকে একেবারে নিভৃত যতনে বানিয়েছে। স্বয়ং গোপাল হেলেপ না করলে মিঠাইয়ের সাথে সংসার করানো মুশকিল’।

Related Articles

Back to top button