গসিপবিনোদনসিরিয়াল

এক দশকেরও বেশি প্রেম করে স্বামী স্ত্রী নীল-তৃণা, তবে দুজনের সম্পর্ক ভাঙতে চেয়েছিল অনেকেই!

বাঙালি টিভি তারকাদের মধ্যে যদি জুটির কথা আসে তাহলে একেবারে প্রথম দিকেই আসবে নীল-তৃণার নাম। হ্যাঁ  টেলি তারকা নীল ভট্টাচার্য (Neel Bhattacharya) ও তৃণা সাহার (Trina Saha) জুটি সকলের কাছেই অতি পরিচিত। বাংলা বিনোদনের জগতের সাথে যুক্ত দুজনেই, রোজ সন্ধ্যায় তাদের অভিনয় দেখেই বিনোদনের খিদে মেটায় বাঙালি দর্শকেরা। তবে রিল লাইফে আলাদা সিরিয়ালে অভিনয় করলেও বাস্তবে কিন্তু স্বামী স্ত্রী নীল তৃণা।

নীলকে দেখা যায় কৃষ্ণকলি সিরিয়ালে তো তৃণাকে দেখা যায় খড়কুটো সিরিয়ালে। তবে দুজনে পরিচয় কিন্তু অভিনয় জগতে আসার অনেক আগে থেকেই।  দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে একেঅপরকে চেনে দুজনে। প্রথমে বুন্ধুত্ব সেই বন্ধুত্ব থেকেই প্রেম আর শেষে ১২টা বছর একসাথে কাটানোর পর  বিয়ের সিদ্ধান্ত। এবছরেই বিয়ে সেরেছেন নীল তৃণা। দেখতে দেখতে সাত মাস হয়ে গেল তাদের বিয়ের। সুখী দাম্পত্য উপভোগ করছেন দুজনে।

Trina Saha তৃনা সাহা Neel Bhattacharya নীল ভট্টাচার্য

তবে সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নীল তৃণা তাদের সম্পর্কের কিছু কথা শেয়ার করেছেন। যার মধ্যে একটি হল দীর্ঘ দিনের প্রেমের সম্পর্কে অনেকেই চেয়েছিল তাদের সম্পর্ক ভেঙে দিতে। অনেক লোকের বাজে কথা শুনতে হয়েছে এই ১২টা বছরে। অভিনেত্রী বলেন, অনেকেই আমায় নীলের সম্পর্কে নানা কথা বলেছে। তাদের ধারণা ছিল সেই সমস্ত কথা শুনে আমার মনে সন্দেহ তৈরী হবে।

নীল ভট্টাচার্য Neel Bhattacharya তৃণা সাহা Trina Saha

তবে অভিনয় জগতে কাজের সূত্রে এটা বুঝতাম যে এমনটা হামেশাই হচ্ছে বিনোদন জগতে। তাই কেউ ভাঙচি দিতে এলেও বিশেষ একটা লাভ হয়নি। নি-তৃণার সম্পর্ক  রয়েছে আগের মতোই। তার থেকেও বড় কথা নীল-তৃণার মধ্যে বোঝাপড়া হয়েই রয়েছে জীবনের যা কিছুই হোক না কেন সেটা সবসময় নিজেদের মধ্যে আগে জানানো হবে। এতে বাইরের লোকের মুখ থেকে কথা শুনলেজবাব দেওয়া যায়।

Trina Saha তৃনা সাহা Neel Bhattacharya নীল ভট্টাচার্য

এছাড়া অভিনেত্রী বলেন, তারা  দুজন যেমন একেঅপরকে ভালোবাসেন তেমনি গুরুত্বও দেন। নীল যেমন বন্ধুদের সাথে আড্ডা মারলে তৃণা বিরক্ত করে না তেমনি তৃণা আড্ডা মারলে নীল বিরক্ত করে না। এমনকি রাতে বাড়ি ফিরতে দেরি হলেও নীল নিজে থেকেই সেটা জানিয়ে দেয়, কোনো সন্দেহের অবকাশই থাকে না। তবে বিয়ের পর জীবনে একটা পরিবর্তন তো এসেছেই, কারণ বাপের বাড়ি আর শশুড়বাড়ির মধ্যেই একটা পার্থক্য থাকবেই।

Related Articles

Back to top button