গসিপগানবিনোদন

দত্তক সন্তান হওয়ায় জুটেছে কটাক্ষ! ফাদার্স ডে’তে দুঃখের কথা শেয়ার করলেন রূপঙ্করকন্যা মহুল

গায়ক কেকে’কে নিয়ে একটি মন্তব্য- এরপরই সামাজিক মাধ্যম জুড়ে চর্চার কেন্দ্রে শুধুই একজন। তিনি গায়ক রূপঙ্কর বাগচি (Rupankar Bagchi)। গত কয়েকদিন ধরে কটাক্ষ থেকে শুরু করে হুমকি দেওয়া ফোন, মেসেজ সবকিছুই পেয়েছেন তিনি। সেই ঘটনার ছাপ গায়ক এবং তাঁর পরিবারের ওপর কতটা পড়েছে? ‘ফাদার্স ডে’ (Father’s Day) উপলক্ষ্যে গায়ককে নিয়ে লেখার সময় তাঁর দত্তক-কন্যা মহুলের (Mahul Bagchi) কথায় সেই সবকিছুও স্থান করে নিয়েছে।

রবিবার সারা বিশ্ব জুড়ে পালিত হচ্ছে ‘পিতৃ দিবস’। এই বিশেষ দিনে বাবাকে নিয়ে কলম ধরলেন রূপঙ্কর-কন্যা মহুল। তারকা রূপঙ্কর নন, মানুষ রূপঙ্কর আসলে কেমন তা নিজের লেখায় তুলে ধরেছেন তিনি। দু’বার সন্তানধারণের পরেও মা হতে পারেননি গায়কের স্ত্রী চৈতালি। এরপরই মহুলকে দত্তক নেন তাঁরা। আজ এক সংবাদমাধ্যমে বাবাকে নিয়ে লিখতে গিয়েই খানিক আবেগঘন হয়ে পড়েন গায়কের-মেয়ে।

Rupankar Bagchi

মহুল (Mahul Bagchi) লিখেছেন, ‘সকলের কাছে আমার বাবা তারকা, কিন্তু আমার এবং মায়ের কাছে তা নয়’। মেয়ে জানিয়েছেন, বাবা যতই ব্যস্ত থাকুন না কেন তাঁর প্রতি কখনও অবহেলা করেননি। মেয়ের জন্য সবসময় গায়কের কাছে সময় থাকে।

Mahul Bagchi letter to Rupankar Bagchi

রূপঙ্কর-কন্যার সংযোজন, এই তো কয়েকদিন আগে পর্যন্ত তাঁকে রোজ সকালে স্কুল দিয়ে আসতেন গায়ক। ভোর ৪টের সময় অনুষ্ঠান সেরে ফেরার পরেও মেয়েকে ঠিক স্কুলে পৌঁছে দিতেন তিনি। বাবা-মেয়ের সময় কখনও মিস করেন না গায়ক।

Rupankar Bagchi Daughter Mohul on father's Day

মহুল জানিয়েছেন, অবসর সময়ে একসঙ্গে গানের চর্চা করেন বাবা-মেয়ে। এর পাশাপাশি ছবি আঁকা, টিভি দেখা, খেলা তো রয়েছেই। চলতি বছর ‘ফাদার্স ডে’তে রূপঙ্করকে (Rupankar Bagchi) কী উপহার দিয়েছেন মহুল? সে জানিয়েছে, এই বার বাবাকে একটি বিশেষ কার্ড এবং একটি কবিতা উপহার করেছে।

গায়ক-কন্যার কথায় ফুটে উঠেছে গত কয়েকদিনে রূপঙ্কর ঠিক কতটা কষ্ট পেয়েছেন। সেই সময় মেয়ে তাঁকে মায়ের মতো করে আগলে রেখেছিলেন। ‘ফাদার্স ডে’তে মহুলের একমাত্র কামনা, তাঁর বাবা যেন ভালো থাকে। পাশাপাশি সকলের উদ্দেশে একটি বার্তাও দিয়েছে সে। তারকা-কন্যার কথায়, ‘আমার বাবা রূপঙ্কর বাগচি। একজন শিল্প, একজন তারকা। আর তারকাদেরও কিন্তু যন্ত্রণা হয়!’।

Related Articles

Back to top button