খবরবিনোদন

মাদক-অনলাইন গেমের আসক্তির কড়া দাওয়াই ‘অগ্নিপথ’! বিতর্কের মাঝেই মন্তব্য কঙ্গনা রানাউতের

সময়ে-অসময়ে বহু বার বিভিন্ন বিষয়ে কেন্দ্রের শাসক দলের পক্ষে সোচ্চার হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত (Kangana Ranaut)। কেন্দ্রের শাসক দলের অন্যতম প্রশংসক হিসেবে অনুরাগীমহলে পরিচিত তিনি। সম্প্রতি ফের এক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করলেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী।

কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন প্রকল্প ‘অগ্নিপথ’ (Agnepath Scheme) নিয়ে সরব হয়েছেন দেশবাসীরা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দাউদাউ করে এই নিয়ে আগুন জ্বলছে। তবে বলিউডের ক্যুইনের এই প্রকল্পকে দেখার একটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। তাঁর দাবি, এই প্রকল্পটি অত্যন্ত ভালো। এই প্রকল্পটি আত্মশুদ্ধির একটি উপায়!

অভিনেত্রীর মতে, দেশের যুবসমাজ মাদক এবং অনলাইন গেমে আসক্ত হয়ে পড়েছেন। সেই আসক্তি থেকে ‘মুক্তি’ দিতে পারে ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প। কঙ্গনার মতে, মাদক এবং অনলাইন গেমের প্রতি আসক্তির ‘দাওয়াই’ হল এই কেন্দ্রীয় প্রকল্প। কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন এই প্রকল্পের বিষয়ে কঙ্গনার অভিমত না হয় জানা গেল। কিন্তু এটি নিয়ে এত বিতর্ক কেন হচ্ছে? কী বলা হয়েছে এই প্রকল্পে?

সম্প্রতি ভারত সরকারের তরফ থেকে ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্পের (Angipath scheme) কথা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, দেশের ১৭ থেকে ২১ বছরের তরুণ-তরুণীরা সশস্ত্র বাহিনীর তিনটি শাখা, অর্থাৎ স্থল, নৌ এবং বায়ুসেনায় চুক্তিভিত্তিকভাবে চার বছরের জন্য যোগ দিতে পারবেন। সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দেওয়া তরুণ-তরুণীদের নাম হবে ‘অগ্নিবীর’। উল্লেখ্য, বাহিনীতে যোগ দেওয়ার বয়সসীমা নিয়ে আপত্তি ওঠায় পরে সেটি ২১ থেকে বাড়িয়ে ২৩ করা হয়েছে।

‘অগ্নিপথ’ প্রকল্প অনুযায়ী, চার বছর হয়ে যাওয়ার পর সেনার শূন্যপদ এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রত্যেকটি ব্যাচের সর্বাধিক ২৫ শতাংশ ‘অগ্নিবীর’কে সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখায় নেওয়া হবে। বাকিদের আর্থিক প্যাকেজ দিয়ে বিদায় জানানো হবে। এই প্রকল্পের একাধিক শর্ত নিয়েই দেশবাসীরা আপত্তি তুলেছেন। কোথাও ভাঙচুর হচ্ছে, আবার কোথাও ট্রেনে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে এসবের মাঝে কঙ্গনার প্রশ্ন, প্রকল্পটির যে একাধিক ভালো দিক রয়েছে তা কেন কেউ দেখছেন না?

kangana ranaut supporting agneepath scheme

সম্প্রতি বলিপাড়ার ক্যুইন এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘সরকার যে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তাতে আমি খুশি। এই প্রজন্মের তরুণ সম্প্রদায়ের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ, জাতীয়তাবোধ জাগ্রত করা জরুরী। সীমান্ত পাহারা দেওয়ার সুযোগ পেলে তা কিন্তু সম্ভব’। কঙ্গনার সংযোজন, ইজরায়েল-সহ বিশ্বের বহু দেশে তরুণ সম্প্রদায়ের সেনা প্রশিক্ষণের বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জীবনের প্রতি নিষ্ঠা, মনোযোগ ফিরিয়ে আনার জন্যই এই কাজ করা হয়েছে। আমাদের দেশেও এমন হলে সমাজের মান উন্নত হবে বলেই মত অভিনেত্রীর।

কাজের দিক থেকে বলা হলে, সম্প্রতি কঙ্গনা (Kangana Ranaut) অভিনীত ‘ধাকড়’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। এরপর ‘তেজস’ ছবিতে দেখা যাবে তাঁকে। জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী সেখানে ভারতীয় বায়ুসেনার আধিকারিকের চরিত্রে অভিনয় করবেন।

Related Articles

Back to top button