গসিপবিনোদন

আমিই মনে হয় সবথেকে খারাপ অভিনেতা ছিলাম, ‘শোলে’-র ৪৬ বছরে অকপট ধর্মেন্দ্র

রূপোলি পর্দায় আজও যে সমস্ত ছবি নবকালের সিনেমার সঙ্গে সমানতালে হিন্দোল তুলে চলেছে তার মধ্যে অবশ্যই ‘শোলে’ (Sholey) অন্যতম। কালজয়ী এই সিনেমাই বর্তমানে মুক্তির ৪৬ বছর উদযাপন করছে। যা নিয়ে তুমুল উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে ছবির ভক্তদের মধ্যে। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা পোস্ট করতে দেখা গিয়েছে এই ছবির একাধিক কলাকুশলীদেরও। ছবিটির পরিচালনা করেছিলেন বিখ্যাত পরিচালক রমেশ সিপ্পি। সম্প্রতি তিনি তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্টে একটি পুরনো ছবি পোস্ট করেছেন। যা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন চর্চা।

টুইটারে ওই ছবি পোস্ট করে রমেশ সিপ্পি ক্যাপশনে লিখেছেন, “শোলে আজ ৪৬ বছর পূর্ণ করেছে। সময় কত দ্রুত বয়ে যাচ্ছে। এরকম একটি দুর্দান্ত টিমের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আজও চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছে। এই অভিজ্ঞতা ভোলার নয়।”

তাঁর টুইটের প্রত্যুত্তরেই বীরু ওরফে ধর্মেন্দ্র লিখেছেন, “ক্যাপ্টেন রমেশ শোলে-এর ৪৬ বছর পূর্ণ হওয়ার জন্য অভিনন্দন। আপনিই রমেশ, যিনি শোলে শকর-ই-আজম তৈরি করেছেন। শোলে চিরকাল দর্শক মনে থাকবে। আমার মনে হয় আপনার প্রতিভাবান অভিনেতাদের দলে আমিই একমাত্র খারাপ অভিনেতা ছিলাম। শোলের শ্যুটিং আদপে আমার জন্য একটি পিকনিক ছিল। আমি এটি পুরোপুরি উপভোগ করেছি৷”

তবে ধর্মেন্দ্র নিজেকে যতই খারাপ বলুন, তাঁর ভক্তরা তা মানতে নারাজ। তাদের দাবি, ছবিতে সকলের মতো তিনিও দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন। এদিকে এই ছবির রেশ ধরেই ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীকে নিয়েও অনেক গল্প আছে। এই ছবির সেট থেকেই দুজনের প্রেমের সূত্রপাত হয় বলে জানা যায়।

নানা গল্প কথা শোনা যায় অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নিয়েও। সহজ কথায় হিন্দি সিনেমার ব্লকবাস্টার ছবি ‘শোলে’ মানুষের হৃদয়ে এমন ছাপ ফেলেছে যে এর প্রতিটি চরিত্র আজও দর্শকদের হৃদয়ে বেঁচে আছে। এতে কাজ করা প্রত্যেক অভিনেতাই ছবিটিকে সর্বকালের প্রিয় ছবি করে তুলতে সাহায্য করেছেন। আর তাই যেন শোলের ৪৬ বছরে আরও একবার নতুন করে মনে করে করিয়ে দিলেন ছবির কলাকুশলীরা।

Related Articles

Back to top button