এই মুহূর্তে বাংলা টেলিভিশনে (Television) সম্প্রচারিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ধারাবাহিক (Serial) হল ‘গুড্ডি’ (Guddi)। টিআরপি তালিকায় কামাল না দেখাতে পারলেও আলোচনার কেন্দ্রে কিন্তু রয়েছে স্টার জলসার এই ধারাবাহিক। দর্শকদের একাংশ প্রায়ই অভিযোগ করেন, ‘গুড্ডি’র গল্পের কোনও মাথামুণ্ডু নেই। সিরিয়ালটি শুরু হয়েছে এতদিন হয়ে গেল, কিন্তু তাও বোঝা যাচ্ছে না নায়ক আসলে কে, যুধাজিৎ নাকি অনুজ?
সিরিয়ালের শুরুতে গুড্ডি, অনুজ, শিরিনের (Shirin) একঘেয়ে ত্রিকোণ প্রেমের কাহিনী দেখে বিরক্ত হয়ে উঠেছিল দর্শকরা। এরপর এন্ট্রি হয় যুধাজিতের। এরপর কিছুটা জমে উঠেছিল ধারাবাহিকটি। কিন্তু অনুজ, গুড্ডি, যুধাজিতের ত্রিকোণ প্রেম শুরু হতেই ফের চটে যায় দর্শকরা। রোষের মুখে পড়ে এখন অবশ্য গল্পে অনেকটা পরিবর্তন এনেছেন লেখিকা লীনা গাঙ্গুলী।
‘গুড্ডি’ ধারাবাহিকের নিয়মিত দর্শকরা জানেন, গুণ্ডাদের হাতে গুলি খেয়ে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে গুড্ডি। চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছিল তাঁর বাঁচার আশা বিশেষ নেই। তবে অনুজ সেকথা মানেনি। তাঁর বিশ্বাস, গুড্ডি ঠিক সুস্থ হয়ে ফিরে আসবে। এখন আগের চেয়ে কিছুটা সুস্থ হয়েছে গুড্ডি। অপরদিকে অনুজের চোখে ভালো সাজার জন্য গুড্ডির মঙ্গল কামনা করছে শিরিন। কিন্তু মনে মনে তাঁকে প্রাণে মারার ছক কষছে।
সম্প্রতি যেমন সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘গুড্ডি’র একটি ক্লিপিং তুমুল ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, গুড্ডিকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁকে বিষ খাইয়ে দিচ্ছে শিরিন। এতদিন পর্যন্ত গুড্ডির সঙ্গে নিজের অধিকারের জন্য লড়াই করত শিরিন। কিন্তু এখন তাঁকে প্রাণেই মেরে দিতে উদ্যত হয়েছে সে।
ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, নার্সের থেকে অনুমতি নিয়ে গুড্ডিকে ফলের রস খাওয়ানোর দায়িত্ব নেয় শিরিন। এরপর নার্স চলে যাওয়া মাত্রই গুড্ডিকে ফলের রসের মধ্যে মিশিয়ে অপ্রয়োজনীয় ওষুধ খাইয়ে দেয় সে। আর ব্যস, বিষাক্ত সেই ওষুধ খাওয়া মাত্রই শারীরিক কষ্ট শুরু হয়ে যায় গুড্ডির।
ছটফট করতে করতে গুড্ডি নার্সকে ডাকার কথা বলে। একথা শুনে শিরিন গুড্ডিকে ঘুমিয়ে পড়তে বলে। শিরিন গুড্ডিকে বলে, এখন তোমার ঘুমনোর সময় হয়ে গিয়েছে এবং আমার জাগার। এরপরই একেবারে নিস্তেজ হয়ে পড়ে গুড্ডি। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসে গুড্ডি কি শিরিনের পর্দা ফাঁস করতে পারবে? আপাতত সেই প্রশ্নই ঘুরছে দর্শকদের মনে।