গসিপবিনোদনসিনেমা

রাজ কুন্দ্রা প্রসঙ্গে পর্নোগ্রাফি ও এরোটিয়ার মধ্যে পার্থক্য বোঝাতে বিস্ফোরক গেহনা বশিষ্ঠ

পর্ণোগ্রাফি (Pornography) বানানোর অভিযোগে সোমবার রাতেই গ্রেফতার হয়েছেন শিল্পা শেঠির (Shilpa Shetty) স্বামী রাজ কুন্দ্রা (Raj Kundra) । তারপর থেকেই একের পর এক সামনে আসতে শুরু করেছে রাজ কুন্দ্রার করা নানান অশ্লীল মন্তব্য। উল্লেখ্য পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরির মামলায় রাজ কুন্দ্রা ছাড়াও নাম জড়িয়েছে অভিনেত্রী গেহনা বশিষ্টের (Gehna Vasisth) । ফেব্রুয়ারিতে গ্রেফতার হওয়ার পর পাঁচ মাস জেলে কাটিয়ে এখন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। আর তারপরেই ওই একই অভিযোগে রাজ কুন্দ্রার গ্রেফতারির বিষয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী।

জানা গেছে গেহনা ইতিমধ্যে রাজ কুন্দ্রার প্রোডাকশনের তিনটি ছবিতে কাজ করেছেন। অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে পর্ন ফিল্ম শুটিং এবং গণ ধর্ষণের মামলাও চলছে।পর্নোগ্রাফি ও এরোটিয়ার পার্থক্য বোঝার অনুরোধ করে গেহনার দাবী ‘যে ভাবে ছবিগুলিকে পর্ন কনটেন্ট হিসাবে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে তা ঠিক নয়। এগুলো বোল্ড এরোটিক ফিল্ম তবে পর্নের সঙ্গে বিস্তর ফারাক রয়েছে। এটাকে ভুল ভাবে মানুষের সামনে আনা হচ্ছে। আমি সাধারণ মানুষকে বলতে চাই যত ক্ষণ আপনারা নিজে ছবিগুলি না দেখছেন, তত ক্ষণ পর্যন্ত পর্ন ক্যাটেগরিতে দাগিয়ে দেবেন না। আমার মনে হয় তাঁরা পর্ন এবং অ্যাডাল্ট ছবির তফাৎটা ভালোই বোঝেন। মানুষকে দেখান, তাঁরা নিজেরাই দেখে সিদ্ধান্ত নিক।’

এছাড়া রাজ কুন্দ্রাকে নিয়েও সরব হয়ে অভিনেত্রীর দাবি , ‘আমাকে আর রাজকে একই অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমাদের দু’জনের বিরুদ্ধেই তদন্ত চলছে। আমি জানি রাজের কোম্পানিতে কী তৈরি হত। রাজ আমার তিনটি ছবির প্রযোজক। আমি নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছি। রাজ আমাকে কোনও কিছু করতে বাধ্য করেনি। কাজের উপযুক্তি পারিশ্রমিকও পেয়েছি।’

অভিনেত্রীর আরও সংযোজন ,’সব কিছু আগে থেকে কনট্র্যাক্ট পেপারে জানানো ছিল এ ছবিগুলি কোন ক্যাটেগরির। এমন নয় যে মুখে কিছু আর মনে কিছু। যথেষ্ট পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করেছি। ওদের সঙ্গে যে সমস্ত ছবিতে কাজ করেছি তাকে পর্ন বলা একেবারেই অনুচিত। এর চেয়ে অনেক বেশি বোল্ড দৃশ্যে বালাজি-র গন্দি বাত-এ আমি করেছি।’

এছাড়া অভিনেত্রীর দাবি ‘কোনও দোষ ছিল না আমার। আমার বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত গণ ধর্ষণের অভিযোগে আমায় জেলে ভরেছে।আমার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়, মোবাইল ও ল্যাপটপ নিয়ে নেওয়া হয়। আমার জীবন নরকে পরিণত হয়। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর হাতে কোনও টাকা। আমার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। ১০-১২ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। জেলের পরিবেশ খুব খারাপ ছিল। ঠিক মতো নিশ্বাস নিতে পারিনি। একটা কথা কেবল মনে হয়, এগুলো আমার প্রাপ্য ছিল না।’

Related Articles

Back to top button