ওয়েব সিরিজবিনোদনসিনেমাসিরিয়াল

ম্যাজিক জানেন সন্দীপ্তা! সব খেয়েও ধরে রেখেছেন ছিপছিপে চেহারা, শেয়ার করলেন ডায়েট সিক্রেট

বাংলা বিনোদন জগতের ব্যাস্ততম অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম হলেন সন্দীপ্তা সেন (Sandipta Sen)। ছোটো পর্দার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘দুর্গা’ দিয়ে অভিনয় জগতে পা রাখলেও বর্তমানে ছোটো পর্দার গন্ডি ছাড়িয়ে বিনোদন জগতের আরও দুই জনপ্রিয় মাধ্যম সিনেমা এবং ওয়েব সিরিজে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন অভিনেত্রী।

নিজের স্টাইল স্টেটমেন্ট থেকে শুরু করে শরীর-স্বাস্থ্য বরাবরই সব বিষয়ে দারুন সচেতন সন্দীপ্তা। তবে খাওয়ার ব্যাপারে কখনই কম্প্রোমাইজ করতে রাজি নন অভিনেত্রী। যখন যেটা প্রাণ চায় খেয়ে ফেলেন তিনি। সন্দীপ্তার কথায় ‘আমি বাবা নিজেকে কষ্ট দিয়ে কিছু করি না। যখন যেটা ইচ্ছে করে, খেয়ে নিই।’ কিন্তু এত ভোজনরসিক হয়েও তার এই টানটান চেহারার রহস্য কি! তা জানতে মুখিয়ে থাকেন অসংখ্য অনুগামী।

সন্দীপ্তা সেন Sandipta Sen

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে নিজের এই সুন্দর ছিপছিপে চেহারা বজায় রাখার সিক্রেট শেয়ার করেছেন বাংলার মিষ্টি নায়িকা সন্দীপ্তা সেন। নিজের ডায়েট সিক্রেট ফাঁস করে ঘুমকাতুরছ সন্দীপ্তা জানিয়েছেন খুব ভোরে উঠতে পারেন না সন্দীপ্তা। তাই শ্যুটিং না থাকলে সকাল সাড়ে আটটার আগে সকাল হয় না তাঁর। তবে চোখ খুলেই জিরে ভেজানো জল খান তিনি। সঙ্গে থাকে তিনটি কাঠবাদাম।

এরপরেই একটি ব্রাউন ব্রেড এবং হাফ বয়েল ডিম দিয়ে ব্রেকফাস্ট সেরে নেন অভিনেত্রী। খানিক বেলার দিকে একটা ফল খান নিয়ম করে। এরপরেই আসে লাঞ্চ টাইম। আর সেটারও আছে একটা নির্দিষ্ট টাইম। একটা থেকে দেড়টার মধ্যে ভাত, ডাল, তরকারি, মাছ বা মাংস দিয়ে লাঞ্চ করে নেন তিনি। এপ্রসঙ্গে অভিনেত্রী জানিয়েছেন ‘দুপুরে খাওয়ার সময় নিয়ে আমি খুবই সচেতন। ঘড়ির কাঁটা ধরে লাঞ্চ করি। বেলা দেড়টা থেকে কোনও ভাবে দু’টো হতে দিই না। আর বিকেলের দিকে আবার একটা ফল খাই।’

সন্ধেবেলায় তালিকায় থাকে ডায়েট চিড়ে বা মাখানা। এড়িয়ে চলেন যে কোনও ধরনের তেলেভাজা। রাত ১০টার মধ্যে নৈশভোজ সেরে ফেলেন সন্দীপ্তা। অলিভ অয়েলে টস করা চিকেন এবং সবজি অথবা তরকারির সঙ্গে মাছ দিয়ে রাতের খাওয়া সারেন তিনি। তবে শুধু খাওয়া দাওয়া নয়, সাথে চাই পর্যাপ্ত ব্যায়ামও। এপ্রসঙ্গে অভিনেত্রী জানান ‘লকডাউনের সময় আমার ওজন বেড়েছিল। ওয়েব সিরিজের জন্য আর ওজন ঝরাইনি। কাজ শেষ হওয়ার পর এই ডায়েট আর যোগাসন করেই সাড়ে আট কেজি ওজন কমিয়েছি।’

Related Articles

Back to top button