গসিপবিনোদনসিনেমা

৪০-এও বিতর্ক কমেনি সুন্দরী দিয়ার জীবনে! বিয়ে, বিচ্ছেদ থেকে ঘুরে দাঁড়ানো, জীবন যেন সিনেমা

বলিউডের এভারগ্রীন নায়িকাদের মধ্যে অন্যতম হলেন দিয়া মির্জা (Diya Mirza)। বর্তমানে অভিনয় জগত থেকে দূরে থাকলেও আজও দর্শকমহলে সমান জনপ্রিয় বলিউডের এই ‘বার্বি ডল’ অভিনেত্রী। আজ এই সুন্দরী অভিনেত্রীর জন্মদিন (Birthday)। ১৯৮১ সালের ৯ ডিসেম্বর হায়দরাবাদে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন দিয়া। আজ নিজের ৪০ তম জন্মদিন পালন করছেন অভিনেত্রী। ছোট থেকেই দিয়া ছিলেন সিনেমাপ্রেমী।

অভিনয় জীবনে তেমনভাবে দাগ কাটতে পারলেও পরবর্তীতে খুলেছেন নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা। ছবি প্রযোজনাও করেছেন। তবে সুন্দরী দিয়ার জীবনে বিতর্কও কম নয়। ভালবেসে বিয়ে করেছেন আবার বিবাহ বিচ্ছেদও হয়েছে। তারপর আবার প্রেমে পড়েছেন অভিনেত্রী। বিয়ে করেছেন,হয়েছেন সন্তানের মা। উল্লেখ্য জন্মসূত্রে দিয়ার মা দীপা (Deepa Mirza) দেবী বাঙালি বাবা খ্রীস্টান।

পেশায় তারা দুজনেই স্থাপত্য শিল্পী। বিয়েও করেছিলেন ফ্র্যাঙ্ক হ্যন্ডরিক (Frank Handrik)নামের এক জার্মান শিল্পীকে। জানা যায় দিয়া তারই সন্তান। কিন্তু দিয়া যখন সবে সাড়ে চার তখনই ফ্র্যাঙ্ক আর দীপার বিচ্ছেদ হয়ে যায়। দিয়ার বয়স যখন ন’বছর, তখন ফ্র্যাঙ্ক মারা যান। তার আগেই দিয়ার মা দীপা হায়দরাবাদ নিবাসী খানদানি মুসলিম আহমেদ মির্জাকে বিয়ে করেছিলেন তাঁর পদবিই দিয়া জুড়েছিলেন নিজের নামের সঙ্গে।


জানা যায় এই সৎ বাবা দিয়ার অত্যন্ত কাছের। এক সাক্ষাৎকারে দিয়া বলেছিলেন, ‘শুধু আমার কথা ভেবেই দ্বিতীয় বিয়েতে সন্তান ধারণ করেননি মা। সেই সিদ্ধান্ত মেনেও নিয়েছিলেন আমার বাবা আহমেদ।’ দিয়ার মডেলিংয়ে আসাতেও তিনিই নাকি সমর্থন জুগিয়েছিলেন। কলেজে পড়ার সময়েই মার্কেটিং এগজিকিউটিভ হিসেবেও কাজ শুরু করেন তিনি। পাশাপাশি চালিয়ে গিয়েছিলেন মডেলিং। মাত্র ১৯ বছর বয়সে মিস এশিয়া প্যাসিফিকের খেতাব জেতেন।

এরপরেই ‘রেহনা হে তেরে দিল মে’ (Rehna Hai Tere Dil Mein) সিনেমা দিয়ে বলিউডে আত্মপ্রকাশ প্রকাশ হয় তার। এরপর আর কাজের অভাব হয়নি অভিনেত্রীর। ২০১৪ সালে দীর্ঘ দিনের প্রেমিক, সাহিল সঙ্ঘকে বিয়ে করেছিলেন দিয়া। পাঁচ বছরের মাথায় বিচ্ছেদ হয় সাহিল-দিয়ার। পরবর্তীতে ব্যবসায়ী বৈভব রেখির সঙ্গে ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেন নায়িকা। এরপর চলতি বছরের মে মাসে একরত্তি অভ্যান আজাদ এসেছে দিয়ার কোলে। অন্যদিকে দিয়া বরাবরই বেপরোয়া, সাহসী। রাজনৈতিক শক্তিকে তোয়াক্কা করেননি কখনও। তাই বিজেপির কাছেও অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি ।

Related Articles

Back to top button