খবরবিনোদনভাইরালভিডিও

‘মেয়েরা পুরুষদের চাকর, ওদের জায়গা শুধু রান্নাঘরে’, আধুনিক সমাজে দাঁড়িয়েও বিস্ফোরক দীপক কালাল

সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে অনেক মানুষ ভাইরাল হয়েছেন। তাদের মধ্যেই একজন হলেন দীপক কালাল (Deepak Kalal) যিনি বলিউডের ড্রামা কুইন রাখি সাওয়ান্তের (Rakhi Sawant) জন্য বিখ্যাত হয়েছেন। যদিও দীপক কালাল নিজেও ড্রামা কুইনের থেকে কম নন। তবে সম্প্রতি নেটপাড়ায় বেশ চর্চায় উঠে এসেছেন দীপক কালাল নিজের কীর্তি ও নোংরা মন্তব্যের জেরে।

আসলে নেটপাড়ায় ভাইরাল হওয়া একটি পুরোনো ভিডিও নতুন করে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। যেখানে ঘাড় ধাক্কা খেয়ে রেডিও মির্চি ষ্টুডিও থেকে বের করে দিতে দেখা যাচ্ছে দীপক কালালকে। কারণ মহিলাদের নিয়ে নিয়ে খুবই নিম্ন মানসিকতার ধারণা রয়েছে তাঁর। সেই কারণেই ইন্টারভিউ এর জন্য ডাকা হলেও ধাক্কা দিয়েই বের করে দেওয়া হয় তাকে ষ্টুডিও থেকে।

তবে এই সাক্ষাৎকারের কারণ জানতে গেলে জানতে হবে দিল্লির এক মেট্রোর ঘটনা। যেখানে দীপক কালালকে এক মহিলা থাপ্পড় মেরে দিয়েছিল। সেই ঘটনাও রেকর্ড হয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল ইন্টারনেটের মাধ্যমে। ঘটনাটি ছিল এই যে, মেট্রোতে একটি মেয়ে দীপক কালালের সাথে সেলফি তুলতে যায়। যেটা তাঁর মনে হয় উচিত নয়, এরপর তর্ক চলতে থাকে। আর একসময় মেয়েটি তাকে থাপ্পড় মেরে দেয়।

এই ঘটনার পরেই একসময় মুম্বাইয়ের রেডিও মির্চি ষ্টুডিওতে ডাকা হয় দীপক কালালকে। সেখানে ঘটনার উল্লেখ হতেই তিনি মেয়েদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেন অন ক্যামেরাতেই। তিনি বলেন, মেয়েরা হল আসলে পুরুষদের চাকর। আর মেয়েরা আসলে তৈরিই হয়েছে পুরুষদের জন্য রান্নাঘরে রুটি তৈরী করার জন্য। তাই মেয়েদের পুরুষদের ওপর হাত তোলা উচিত নয়।

যেখানে আধুনিক সমাজে পুরুষ ও মহিলা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সমান তালে এগিয়ে চলেছে সমস্ত ক্ষেত্রে সেখানে এমন মন্তব্য নিচ মানসিকতার  প্রমাণ দেয়। সাক্ষাৎকার নেয়ার জন্য থাকা মহিলা আরজে তৎক্ষণাৎ তাকে ষ্টুডিও থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন ও তার সাক্ষাৎকারের অডিও টেপ ডিলিট করে দেন। যদিও তিনি যেতে নারাজ ছিলেন। এরপর সিকিউরিটি ডেকে তাকে ষ্টুডিও থেকে বের করে দেওয়া হয়।

দীপক কালাল সেই সময় হুমকি দিয়েছিলেন তিনি রেডিও মির্চির বিরুদ্ধে মামলা করবেন। তবে সেটা আজ অবধি হয়নি। অন্যদিকে ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই অনেকে ভেবেছিলেন জনপ্রিয়তার পাবার জন্য  সাজানো হয়েছে এই নাটক। কিন্তু রেডিও মির্চি কর্তৃপক্ষ জানান গোটা ঘটনাটা একেবারেই সত্যি ঘটনা।

Related Articles

Back to top button