ছবিবিনোদনভাইরালসিরিয়াল

একটা সময় স্টেশনে রাত কাটালেও, ফল পেলেন পরিশ্রমের! নিজের টাকায় গাড়ি কিনলেন পর্দার দীপা 

এই মুহূর্তে স্টার জলসার অত্যন্ত জনপ্রিয় এটি ধারাবাহিক হলো ‘অনুরাগের ছোঁয়া’ (Anurager Chonwa)।এই সিরিয়ালের নায়িকা দীপা (Deepa) চরিত্রে অভিনয় করে অল্প দিনের মধ্যেই দর্শকদের একেবারে ঘরের মেয়ে হয়ে উঠেছেন টেলি অভিনেত্রী স্বস্তিকা ঘোষ (Swastika Ghosh)। অনেকেই হয়তো জানলে অবাক হবেন আদতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘির বাসিন্দা স্বস্তিকা বয়স কিন্তু সবে মাত্র ১৯ বছর।

এই বয়সেই তার সাবলীল অভিনয় অল্প দিনের মধ্যে মন জয় করে নিয়েছে দর্শকদের। সম্প্রতি পর্দার দীপা অভিনেত্রী স্বস্তিকার জীবনে এসেছে এক নতুন সদস্য পক্ষীরাজ। তবে এখানে বলে রাখি এই নতুন সদস্য কিন্তু কোন মানুষ কিংবা রূপকথার সেই পক্ষীরাজ নয়। আসলে রবিবাসরীয় সকালে নিজের নতুন গাড়ি (New Car) কিনেছেন অভিনেত্রী।

সেই খুশির খবরই অনুরাগীদের সাথে ভাগ করে নিয়ে ছিলেন পর্দার দীপা। ছবিতে কাঁচা হলুদ রঙের শাড়ি পরে সাদা গাড়ির সামনে পোজ দিয়ে দাঁড়িয়ে ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন ‘অবশেষে আমি আমার পক্ষীরাজকে পেয়ে গিয়েছি’। ছবির কমেন্ট সেকশনে ভালোবাসার মুড়িয়ে দিয়েছেন তার অসংখ্য অ অনুরাগী তো বটেই সেই সাথে রয়েছে দীপার পর্দার স্বামী শাশুড়ি থেকে শুরু করে খলনায়িকা মিশকা পর্যন্ত।

জানা যাচ্ছে স্বস্তিকা এদিন দুধ সাদা বলেনো মারুতি সুজুকি গাড়ি কিনেছেন।  এই গাড়ির আনুমানিক দাম শুরু হচ্ছে ছয় লক্ষ ৪২ হাজার থেকে থেকে ৯ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। প্রসঙ্গত অনুরাগের ছোঁয়া সিরিয়াল দিয়েই প্রথমবার মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ মিললেও এটাই প্রথম সিরিয়াল নয় স্বস্তিকার। অভিনয় জগতের সাথে বিগত ২ বছর ধরে যুক্ত রয়েছেন স্বস্তিকা।


ইতিপূর্বে ‘সরস্বতীর প্রেম’ ধারাবাহিক দিয়ে অভিনয় জগতে হয়েছে তার।এই সিরিয়ালে নায়কের বোনেরচরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। এছাড়া স্বস্তিকাকে দেখা গিয়েছিল ‘দত্ত এন্ড বৌমা’ সিরিয়ালেও।  কিন্তু বেশিরভাগ সিরিয়ালেই পার্শ্বচরিত্রে দেখা গিয়েছে তাকে। আজ অভিনয় জগতে দারুন সফল স্বস্তিকা। কিন্তু এই সাফল্য একদিনে আসেনি।

Tv actress who played mother's role in bengali serial

একবার এক সাক্ষাৎকারে স্বস্তিকা জানিয়েছিলেন, ‘আমি ভরতনাট্যম শিখেছি, গোড়া থেকেই নাচ-গান, অভিনয় জগতের প্রতি আকর্ষণ ছিল। তিন বছর আগে অডিশন দিতে শুরু করি। প্রথম প্রথম রায়দিঘি থেকে বাবার সঙ্গে অডিশন দিতে আসতাম কলকাতায়। এমনও অনেক দিন হয়েছে যে, বাড়ি ফিরতে পারিনি। দু’-তিন বার তো স্টেশনেই রাত কাটাতে হয়েছে। আমার বাবাও খুব কষ্ট করেছেন তখন আমার সঙ্গে।’

Related Articles

Back to top button