বিনোদনভাইরালভিডিওসিরিয়াল

মিঠাই ম্যাজিকে প্রেম জেগেছে উচ্ছেবাবুর মনে, দুজনের ভালোবাসা দেখে খুশি দাদাই থেকে গোটা পরিবার

বাঙালি সিরিয়ালপ্রেমীদের কাছে পছন্দের সিরিয়াল জিজ্ঞাসা করলে সবার আগে একটাই নাম আসবে সেটা হল মিঠাই (Mithai)। মিঠাই ম্যাজিকে মুগ্ধ গোটা বাংলা। যেকারণে বিগত ৩৮ সপ্তাহ নন-স্টপ বেঙ্গল টপার হয়ে প্রমাণ করে দিয়েছে মিঠাই। আসলে মিঠাই আর  সিদ্বার্থের (Mithai SIdharth)  জুটির কাহিনীটাই এমন যে মনে ধরতে বাধ্য। বাড়ির সকলের মন জয় করার পর উচ্ছেবাবুকেও নিজের ভালোবাসার জাদুতে পাল্টে ফেলেছে মিঠাই।

একসময় যে সিদ্ধার্থ মিঠাইকে নিজের বউ হিসাবেও মানতে চাইতো না সেই আজ সবার সামনে মিঠাইকে নিজের স্ত্রীর পরিচয় দেয়। শুধু তাই নয় টেসের হাত থেকে মিঠাইকে আগলে রাখে। কিছুদিন আগেই পার্টিতে মিঠাইকে নিজের স্ত্রী আর তোর্সাকে বৌদিমণির পরিচয় দিয়েছিল সিদ্ধার্থ। এরপর মিঠাইয়ের ডান্স দেখে বাকি সকলে তো বটেই সিদ্ধার্থ নিজেও অবাক হয়ে গিয়েছিল। পার্টি থেকে বেরিয়ে মিঠাইকে ২৫ শে ডিসেম্বরের আলো দেখাতেও নিয়ে গিয়েছিল সিদ্ধার্থ।

যেটা পরের দিন বাড়ির সকলে জেনে গেছে, আর সকলে দুজনের নিভৃতে ঘুরতে যাবার কথা জিজ্ঞাসা করতেই লজ্জায় লাল হয়েছে মিঠাই। ছুটে পালিয়ে যেতে চাইলেও বাকিরা সবাই মিলে আটকে দিয়েছে তাকে। এরপর মিঠাই নিজেই বলে যে শুধু আলো দেখা নয়, উচ্চাবাবু নিজের হাতটাও ধরতে দিয়েছিল মিঠাইকে। এই কথা শুনেই সবাই দুজনের রোমান্স নিয়ে উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিল। তবে মিঠাই বড্ড লজ্জা পেয়ে যায়।

এরপর মিঠাই সমেত মিঠাইয়ের মা ও গুলটিকে নিয়ে কলকাতা ঘুরিয়ে দেখিয়েছে সিদ্ধার্থ। বহুদিন পর ঘুরতে গিয়ে দারুন খুশি মিঠাই। পাশাপাশি জামাই সিদ্ধার্থের প্রশংসায় পঞ্চমুখ শাশুড়িও। এরপর প্রিন্সেপ ঘটে গিয়ে নৌকায় করে গঙ্গাভ্রমণ করেছে। শেষে হোটেলে নিয়ে খাওয়া দাওয়াও হয়েছে। সবমিলিয়ে একেবারে জমজমাট ভাবে কেটেছে গোটা একটা দিন।

এবার বাড়িতে দাদাইয়ের সামনে বাকিরা মিঠাই সিদ্ধার্থ আর রাতুল শ্রীতমার ঘুরতে যাবার কথা জানিয়েছে বাড়ির বাকিরা মিলে। সব শুনে দারুন খুশি হয়েছে দাদাই। দাদাই সিদ্ধার্থকে ডেকে বলেছে গর্বে বুক ফুলিয়ে দিয়েছে সে। যার উত্তরে সিদ্ধার্থ জানায়, ভেবেছিলাম বড় হয়ে মায়ের কষ্ট দূর করে দেব। তা তো আর হল না! কিন্তু মিঠাই, পার্বতী কাকিমা আর গুলতির সাথে সময় কাটিয়ে সত্যিই ভালো লাগল। তাহলেই বুঝুন! উচ্চাবাবু হয়তো  মুখে প্রকাশ করেনি, তবে হাবেভাবে সেটা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিচ্ছে।

Related Articles

Back to top button