গসিপবিনোদনসিনেমা

অমিতাভ বচ্চন থেকে শাহরুখ খান, আজ কোটিপতি হলেও এক সময় পথে বসার জোগাড় হয়েছিল এই ৫ বলি তারকার

বলিউডে শেষ কথা বলে বক্স অফিস। তাই সিনেমা বক্স অফিসে ভালো ব্যাবসা করলে তারকরা যেমন রাতারাতি লাইম লাইটে আসেন তেমনই লাফিয়ে বাড়তে থাকে তাঁদের ব্যাঙ্ক ব্যালেন্সও। তবে যখন উল্টো ঘটনা ঘটে অর্থাৎ যখন কোনো সিনেমা ভালো ব্যবসা করতে পারে না তখন সর্বস্ব খুইয়ে কার্যত দেউলিয়া হয়ে যান তারকারা। আজ বং ট্রেন্ডের পাতায় থাকছে এমনই ৫ জন সেলিব্রেটিদের কথা যাঁরা দেউলিয়া হওয়ার পরও আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছেন, ফিরে পেয়েছেন সচ্ছলতা।

১.রাজ কাপুর (Raj Kapoor)

Raj Kapoor

এই তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন কিংবদন্তিদের অভিনেতা রাজ কাপুর। নিজের কেরিয়ারে একটা সময় ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। সম্পত্তি বন্ধক রেখে ছয় বছর ধরে বানিয়েছিলেন কালজয়ী সিনেমা ‘মেরা নাম জোকার’। ১৯৭০ সালের এই ছবিটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়লেও পরবর্তীতে বেশ কিছু পুরস্কার পেয়েছিল। এরপর ১৯৭৩ সালে ঋষি কাপুর অভিনীত ববি সিনেমা কাপুর পরিবারের জীবনের মোড় ঘুরে যায়। তবে ববি সফল হলেও পুরোপুরি সচ্ছলতা ফিরে পেতে ৬ বছর সময় লেগেছিল রাজ কাপুরের।

২. অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachaan)

অমিতাভ বচ্চন Amitabh Bacchan

বলিউডের শাহেনশাও এক সময় সব হারিয়ে দেউলিয়া হয়েছিলেন। এপ্রসঙ্গে নিজের ব্লগে বিগবি লিখেছিলেন ২০০০ সালে সবাই যখন নতুন বছর উদযাপন করছিলেন, তখন আমি আমার দুর্দশাকে উদযাপন করছিলাম! হাতে কোনো ছবি ছিল না, কোনো পয়সাকড়ি নেই, ছিল না নিজের কোনো প্রতিষ্ঠানও ছিল না।’ তার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান ‘এবিসিএল’ ৯০ কোটি টাকা দেনার দায় দেউলিয়া ঘোষিত হয়েছিল। এমনকি নিজের বাড়ি পর্যন্ত বন্ধক রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, পরে ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ দিয়ে জীবনে শাপমুক্ত হন তিনি।

৩. শাহরুখ খান (Shahrukh Khan)

Shah Rukh Khan

বলিউড বাদশা তিনি। তবে একসময় তাঁকেও সর্বস্বান্ত হতে হয়েছিল। শাহরুখ এবং তার স্ত্রী গৌরী খান ১৫০ কোটি টাকা বাজেটের একটি সায়েন্স ফিকশন সিনেমা ‘রা ওয়ান নির্মাণ করেছিলেন। সিনেমাটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ার পর সর্বস্বান্ত হয়ে যান শাহরুখ। পরবর্তীতে ‘জাব তাক হ্যায় জান’ এবং ‘ডন ২’ এর মাধ্যমে তিনি সেই ঘাটতি পূরণ করেছিলেন।

৪. প্রীতি জিন্টা (Preity Zinta)

হাতে কাজ না থাকায় নিজের ক্রিকেট টিম নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন প্রীতি। সেই সময় নিজের প্রোডাকশন হাউস থেকে ‘ইশক ইন প্যারিস’ নামে সিনেমা তৈরি করে ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন প্রীতি। শোনা যায় সলমন খানের সহায়তায় ধীরে ধীরে বিপদ কাটিয়ে ওঠেন তিনি।

৫. গোবিন্দা (Govind)

Govinda

একসময় ব্যাপক আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিলেন কমেডি কিং গোবিন্দা। প্রচুর টাকার দেনাও হয়েছিল তাঁর। পরবর্তীতে সালমান খানের সঙ্গে ‘পার্টনার’ ছবি দিয়ে কামব্যাক করেন গোবিন্দ। ছবিটির দারুণ সাফল্য গোবিন্দকে উদ্ধার করে এই দুর্দশা থেকে।

Related Articles

Back to top button