গসিপবিনোদনসিনেমা

‘আমি বাঁচতে চাই’ ৯ বছর শয্যাশায়ী দশায় শেষর দিকে এই ছিল মধুবালার শেষ কামনা!

বলিউডের গোল্ডেন যুগের সুন্দরী অভিনেত্রী মধুবালা (Madhubala)। তার রূপের প্রেমে আজ মগ্ন কতশত প্রেমিকেরা। অভিনেত্রীর রূপের চর্চা যেমন ছিল, তেমনি ছিল তার সম্পর্ক নিয়েও চর্চা। বলিউডের সুন্দরী অভিনেত্রী হওয়ায় তার প্রেমে কম পুরুষ পড়েনি। একাধিক সম্পর্কে নাম জড়িয়েছিল অভিনেত্রীর।

শেষজীবনে বিখ্যাত সংগীতকার কিশোর কুমারকে বিয়ে করেছিলেন মধুবালা। কিন্তু জিনের জীবনের শেষ সময় অনেকটা যন্ত্রণা আর কষ্টের মধ্যে দিয়ে কেটেছিল অভিনেত্রীর। মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই অত্যন্ত বেদনাদায়কভাবে মৃত্যু হয়েছিল অভিনেত্রীর।

Madhubala মধুবালা

যদিও জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বাঁচতে চেয়েছিলেন অভিনেত্রী। মৃত্যুর দিন পর্যন্ত শেষ ইচ্ছা ছিল বেঁচে থাকার। অভিনেত্রীর শেষ জীবনের কাহিনী হার মানাতে পারে যেকোনো সিনেমার দুঃখের গল্পকেও। আজ সেই বেদনাদায়ক জীবনের কিছু কাহিনী আপনাদের কাছে তুলে ধরব।

১৯৩৩ সালে দিল্লির বস্তিতে এক মুসলিম পরিবারে জন্ম নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। জন্মের পর অভিনেত্রীর নাম রাখা হয়েছিল মুমতাজ জাহান বেগম দেহলভি। যদিও পর্দায় আসার আগে সেই নাম পরিবর্তিত হ যে মধুবালা হয়। সেই নামেই আজ সকলের কাছে পরিচিত অভিনেত্রী।

Madhubala মধুবালা

খুব ছোট থেকেই চলচিত্রে কাজ শুরু করেন অভিনেত্রী। প্রথম অভিনয় মাত্র ৯ বছর বয়সে, এরপর ১৪ বছর বয়সে ‘নীল কমল’ ছবিতে লিড রোলে অভিনয় করেন মধুবালা। এরপর থেকে আর কোনোদিন ফিরে তাকাতে হয়নি অভিনেত্রীকে। সৌন্দর্যের সাথে দক্ষ অভিনয় অভিনেত্রীকে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দিয়েছিল।

 ‘মুঘল-এ-আজম’ সিনেমায় দিলীপ ও মধুবালার রোম্যান্টিক জুটি বলিউডের ঐতিহাসিক ও অবিস্মরণীয় জুটি। ছবির শুটিংয়ের আগেই হার্টে ফুটো ধরা পড়েছিল অভিনেত্রীর। ডাক্তার বলেছিল তিন মাস বিশ্রাম নিতে কিন্তু কথা শোনেননি। ছবির শুটিংয়ের শেষের দিকে হাত পা নীল হয়ে যেত, রক্তবমি থেকে শুরু করে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছিল। 

Madhubala মধুবালা

এরপর শারীরিক অবস্থার এতটাই অবনতি হয় যে বাড়িতে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। শয্যাশায়ী হবার পর আর উঠতে পারেননি মধুবালা। একটানা দীর্ঘ ৯ বছর শয্যাশায়ী থাকার পর যন্ত্রণা আর একবুক দুঃখ নিয়ে মারা যান অভিনেত্রী। মারা যাবার সময় অভিনেত্রীর মুখে বারবার শোনা গিয়েছিল ‘আমি বাঁচতে চাই’। 

Related Articles

Back to top button