খবরবিনোদন

ড্রাগ টেস্ট হলে যাতে ধরা না পরে সেই জন্য এই বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করে বলিউড সেলেবসরা !

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু ঘিরে প্রত্যহ উঠে আসছে নতুন নতুন তথ্য। মাঝখান থেকে সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর ‘ড্রাগ চ্যাট’ প্রকাশ পেয়ে যাওয়ায় চরম অস্বস্তিতে পড়ে যায় গোটা বলিপাড়া। সম্প্রতি দীপিকা পাডুকোন, সারা আলী খান, শ্রদ্ধা কাপুর ও রাকুল প্রীত সিং জেরায় ড্রাগ নেওয়ার ব্যাপারটি অস্বীকার করেন। সম্প্রতি এনসিবির অনুসন্ধানে উঠে এসেছে বলিউডের গোয়া-যোগ। ড্রাগ ডিটক্স-এর তাড়নায় নাকি সেলেবরা যেতেন গোয়ায়, এমনটাই জানিয়েছেন এনসিবির এক আধিকারিক।

সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট সকলের সামনে ফাঁস করেছে সেলিব্রেটিদের ঘন ঘন গোয়া যাওয়ার রহস্য। রিপোর্ট মোতাবেক, গ্ল্যাম দুনিয়ার বহু তারকাই নাকি ড্রাগ-টেস্টের বেশ কিছুদিন আগেই গোয়ায় শ্যুটিংয়ের নামে হোটেল বুক করে থাকতেন, তবে আসল উদ্দেশ্য থাকত শরীর থেকে ড্রাগ ডিটক্স করানো।

গোয়ার এমনই এক তারকাখচিত ভিলার কেয়ারটেকারের বক্তব্য অনুযায়ী, তারকারা নিজ পরিচয় লুকানোর জন্যে নিজেদের এজেন্টের মাধ্যমে হোটেল বুক করতেন। তাছাড়াও পরিচয় গোপনে নানাবিধ উপায় অবলম্বনেও পিছু পা হতেন না তাঁরা।” ওই কেয়ারটেকার আরও জানান, “এনসিবির জেরার কিছুদিন আগেই সপরিবারে গোয়ায় এসেছিলেন সারা আলী খান ও দীপিকা পাডুকোন।” ফলে এই নতুন তথ্যের আগমনে চমকে উঠেছেন বলিউডপ্রেমীরা।

ইতিমধ্যেই বেশ খানিকটা এগিয়েছে এনসিবির তদন্ত। ড্রাগ সরবরাহকারী সহ একাধিক বড় বড় নাম এখন এনসিবির তালিকায়। ড্রাগযোগের অভিযোগে রিয়া চক্রবর্তী, সৌভিক চক্রবর্তী, স্যামুয়েল মিরান্ডা, শীটজী প্রসাদরা জেল হেফাজতে। সূত্রের খবর, সঠিক তথ্যপ্রমাণ পেলে অনেক বড় বড় তারকাই পড়তে পারেন এনসিবির জালে।

Related Articles

Back to top button