একসময় বাড়ি বাড়ি গিয়ে লিপস্টিক নেইলপলিশ বিক্রি করতেন! আজ বলিউডের অন্যতম সেরা অভিনেতা আরশাদ


বলিউড অভিনেতা আরশাদ ওয়ারসি ১৯ শে এপ্রিল ৫৩ বছরে পা দিলেন। ৫৩ তম জন্মদিনে তারই কিছু অজানা কথা জেনে নেব আমরা। তিনি ১৯৬৮ সালে সালে মুম্বাইয়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। শৈশবে আরশাদ তার মা-বাবার ছায়া উঠেছিল। আরশাদের প্রাথমিক শিক্ষা ছিল মহারাষ্ট্রের নাসিক শহরে। দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করে একজন হকার থেকেই অভিনেতা হয়ে উঠেছিলেন আরশাদ।

আরশাদ ওয়ারসি জন্ম মুম্বাইয়ে। মাত্র ১৪ বছর বয়সে তার বাবা-মা মারা যাওয়ার পরে আরশাদকে অনেক উত্থান-পতন দেখতে হয়েছিল। নিজের জীবন কাটাতে আরশাদ দশম শ্রেণির পড়াশোনা বাদে অর্থোপার্জনে সমস্ত মনোযোগ দিয়েছিলেন।

পড়াশুনো ছেড়ে আরশাদ হকার হিসেবে একটি প্রসাধনী সংস্থায় কাজ শুরু করেন। তখন তার বপ্যস ছিল মাত্র ১৭ বছর। অভাব থাকলেও আরশাদের নাচের শখ ছিল প্রবল। চাকরি করতে করতেই তার নাচের প্রতি আগ্রহ জন্মাতে শুরু করে। এরপর তিনি আকবর সামির নাচের দলে যোগ দেন। ১৯৮৭ সালে তিনি ‘ঠিকানা’ এবং ‘কাশ’ ছবিতে কোরিওগ্রাফি করার সুযোগ পান।

 

কোরিওগ্রাফার হিসেবে সাফল্য অর্জন করার পর অভিনেতা ১৯৯৬ সালে ‘তেরে মেরে স্বপ্নে’ ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পান। আর এই ছবিটিই বক্স অফিসে তুমুল হিট হয়। অভিনেতার ভাগ্য বদলাতে শুরু করে৷ এখান থেকেই শুরু হয় অভিনেতার টার্নিং পয়েন্ট। ২০০৩ সালে অভিনেতা মুন্নাভাই এমবিবিএসে অভিনয় করে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

২০০৬ সালে এসেছিল ‘লাগা রাহো মুন্না ভাই’ ছবিটিও তার কেরিয়ারে এক বিরাট পার্থক্য সৃষ্টি করেছিল। আরশাদ এই চলচ্চিত্রের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরষ্কারও পেয়েছিলেন। আরশাদের কমিক স্টাইলের পরিচালক রোহিত শেঠি খুব পছন্দ করেছেন এবং তাঁর গোলমাল চলচ্চিত্রের জন্য সার্কিটটি বেছে নিয়েছিলেন।