গসিপবিনোদন

আমাকে ক্যামেরার সামনে প্রণাম করলেও পরক্ষণেই থাপ্পড় মারতো প্রসেনজিৎ! বিস্ফোরক অনামিকা সাহা

টলিউডের তাবড় অভিনেত্রী অনামিকা সাহা (Anamika Saha)। তিনি ছিলেন তাবড় খলনায়িকা। তার অভিনয়ে হাড় হিম হয়ে যেত দর্শকদের। দাপুটে এই অভিনেত্রী ১৯৭৩ এ ‘আশার আলো’ দিয়ে কেরিয়ার শুরু করেন। ১৯৯৬ পর্যন্ত প্রায় ১৫ টি মুভিতে অভিনয় করেন তিনি। উত্তম কুমারের সঙ্গে করেছেন ‘বাঘ বন্দী খেলা’, ‘দুই পুরুষ’। এমনকি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গেও গানের দৃশ্যে অভিনয় করেন অনামিকা সাহা। ‘প্রতিশোধ’, ‘বিষে বিষে বিষক্ষয়’ সিনেমায় অনামিকা সাহা কাজ করেছেন চুটিয়ে। ১৯৯৬ পর্যন্ত তিনি ‘মা’ ও ‘শাশুড়ি মা’ চরিত্রে অভিনয় করতেন। ১৯৯৬ তে শেষ অভিনয় তাঁর ‘নাচ নাগিনী নাচ রে’। এরপরেই দীর্ঘদিনের বিরতি নেন।

মাত্র ২৯ বছর বয়সেই মা কাকিমার চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করেছিলেন অনামিকা সাহা। তিনি কোনোওদিনই নায়িকা হতে চাননি বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। আর সেকারণেই নিজের ওজনও বাড়িয়েছিলেন তিনি। ৫৮ বছরে প্রয়াত হয়েছেন অভিষেক, আর অনামিকার বর্তমান বয়স ৬৩ বছর। খুব কম দিনেরই ছোট বড় তারা। অথচ পর্দায় অভিষেকের মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন তিনি।

ফলত সেই সময়ের সব নায়কই তার বন্ধুর মতোই। এই প্রসঙ্গেই, অনামিকা সাহা প্রসেনজিৎ এর সাথে তার সম্পর্ক নিয়েও মুখ খোলেন। প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জির মায়ের ভূমিকাতেও তিনি অভিনয় করেছেন। প্রসেনজিৎ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী জানান,” সম্পর্কটা এমনই বুম্বা পর্দায় পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করলেও, পরক্ষণেই সপাটে থাপ্পড় মারতো আমায়।” সকলের সাথেই তার বয়সের ব্যবধান ৩-৪ বছর। তাপস পাল একমাত্র এক বছরের বড় ছিল।

বোঝাই যাচ্ছে, তাপস পাল, প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি, অভিষেকের সাথে তার সম্পর্ক ছিল পুরো বন্ধুর মতোই। দিন কয়েক আগেই, এক সাক্ষাৎকারে পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বেশ আক্ষেপ করতে দেখা যায় অনামিকাকে। জি বাংলার জনপ্রিয় লক্ষীকাকিমা সুপারস্টার সিরিয়ালের অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্যকে নিয়ে বেশি কিছু কথা এদিন সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেছিলেন অভিনেত্রী। পরবর্তীতে তার রাগ ও ভাঙিয়েছেন অপরাজিতা আঢ্য।

Related Articles

Back to top button