খবরসিনেমা

প্রথমে রুপো, তারপর সোনা, এক এক করে ভারতকে মেডেল এনে দিচ্ছেন মাধবন পুত্র বেদান্ত

বলিউড অভিনেতা আর মাধবন (R Madhavan) পুত্র বেদান্ত মাধবন (Vedaant Madhavan)। না আর পাঁচটা তারকা সন্তানের মত অভিনয়ে নয় বরং ক্রীড়া জগতে নিজের প্রতিভা প্রকাশ করেছে সে। ছেলে হিসাবে বাবাকে গর্বিত করার পাশাপাশি উজ্জ্বল করেছে দেশের নাম। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মঞ্চে ড‍্যানিশ ওপেন ২০২২ (Danish Open 2022) এ সাঁতার প্রতিযোগিতার আয়জন করা হয়েছিল। সেখানে রূপ জিতেছিল সে। তবে এবার সেই সাফল্য আরও একধাপ এগিয়ে গেল, সোনা জিতল বেদান্ত।

অভিনেতা মাধবন নিজেই ছেলের এই সাফল্যের কথা সকলের সাথে শেয়ার করে নিয়েছেন সকলের সাথে। এর আগে যেমন রুপো জেতার খবর শেয়ার করেছিলেন তেমনই এবারেও টুইটারে খুশির এই খবরটি শেয়ার করেছেন তিনি। মাধবন লেখেন, ‘আর আজও জয়ের ধারা বজায় থাকল। বেদান্ত সোনা জিতল ডেনমার্ক ওপেন প্রতিযোগিতায়’ (Vedant wins gold at Denmark Open)। সাথে সাঁতার প্রশিক্ষক ও সকলকে প্রার্থনার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন অভিনেতা।

Vedant madhavan

সাথে ছেলের স্বর্ণপদক পাওয়ার ভিডিওটি শেয়ার করেছেন বাবা। যেখানে দেখা যাচ্ছে ভারতের হয়ে সাঁতারের প্রতিযোগিতায় সোনা জিতল বেদান্ত। অবশ্য এখানেই শেষ নয়, এরপর প্রতিযোগিতার অফিসিয়াল ব্রডকাস্টের ভিডিও শেয়ার করেছেন তিনি। যেখানে সম্পূর্ণ প্রতিযোগিতাটি দেখা যাবে। সেই ভিডিওটি শেয়ার করে মাধবন লিখেছেন, ‘ রুপো পাওয়ার পরের দিন ভগবান ও সর্বশক্তিমানের ইচ্ছায় আজকের প্রতিযোগিতায় আবারো বিজয়ী বেদান্ত।

এর আগে, ১৫০০ মিটার ফ্রি স্টাইল সাঁতার প্রতিযোগীতায় রূপো পেয়েছিল বেদান্ত ড্যানিশ ওপেন এ। বর্তমানে বেদান্তের বয়স মাত্র ১৬ বছর। এই বয়সেই নিজেকে সাঁতারে বিশ্ব সেরা গড়ে তোলার প্রতিজ্ঞা করেছে সে। এমনকি  ইতিমধ্যেই ৭টি পদক রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। তবে বেদান্তের আসল উদ্দেশ্য অলিম্পিক। সেই জন্যই নিজেকে কঠিন প্রশিক্ষণ ও পরিশ্রমের মধ্যে রাখতে চায় সে।

স্বাভাবিকভাবেই অভিনেতা মাধবন ছেলের এই সাফল্যে দারুণ খুশি। পাশাপাশি গর্বিতও বোধ করেন বেদান্তের বাবা হিসাবে। তবে তিনি ছেলেকে নিয়ে ভারত ছেড়ে দুবাই চলে গিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে সংবাদ মাধ্যমকে অভিনেতা জানিয়েছিলেন, ‘ আমাদের দেশে এই মুহূর্তে সাঁতারের অলিম্পিকের জন্য উপযুক্ত পরিকাঠামো নেই। সেই কারণেই বেদান্তকে নিয়ে দুবাই চলে আসতে বাধ্য হয়েছি। যাতে বেদান্ত নিজের প্রস্তুতির জন্য সেরা পরিকাঠামো ও সুযোগ টুকু পায়। একজন বাবা হিসাবে এটা তাঁর কর্তব্য বলেই মনে করি’।

Related Articles

Back to top button