সিরিয়াল প্রেমীদের কাছে গাঁটছড়া (Gantchora) সিরিয়ালের জনপ্রিয়তার কথা নতুন করে কিছু বলার নেই। এই সিরিয়ালের মূল ইউএসপি হল নায়ক ঋদ্ধি আর নায়িকা খড়ির দুষ্টু,মিষ্টি সম্পর্কের রসায়ন। তাই পছন্দের এই সিরিয়ালের একটাও এপিসোড মিস করতে চান দর্শকরা। টিভির পর্দায় খড়ি-ঋদ্ধির ঝগড়া, মান-অভিমান, আবার কখনও অজান্তেই কাছাকাছি আসা চুটিয়ে উপভোগ করছেন দর্শক।
তাই দর্শকদের ভালোবাসায় চলতি সপ্তাহেই টিআরপি চার্টে ফের একবার শীর্ষ স্থান অধিকার করে নিয়েছে এই সিরিয়াল। ধারাবাহিকে খড়ির চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোলাঙ্কি রায় (Solanki Roy)। অন্যদিকে সিংহরায় বাড়ির বড় ছেলে ঋদ্ধির চরিত্রে অভিনয় করছেন মহানায়ক উত্তম কুমারের নাতি গৌরব চট্টোপাধ্যায় (Gourab Chatterjee)। সিরিয়ালে খড়ির (Khori) চরিত্রটা যতটা প্রাণখোলা হাসিখুশি স্বভাবের তার বর ঋদ্ধির (Ridhi)চরিত্র টা ঠিক ততটাই গম্ভীর, গোমড়ামুখো, বদমেজাজি স্বভাবের।
তবে বাস্তব জীবনে কেমন স্বামী এই ঋদ্ধি চরিত্রের অভিনেতা গৌরব। এপ্রসঙ্গে সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলেছিলেন গৌরবের স্ত্রী তথা বাংলার জনপ্রিয় মডেল তথা অভিনেত্রী দেবলীনা কুমার (Devleena Kumar) । তার কথাতেই জানা যায় পর্দার ঋদ্ধির মত খানিকটা হলেও রাগী গৌরব। এপ্রসঙ্গে অভিনেতার স্ত্রী দেবলীনা হাসতে হাসতেই বলেন গৌরব রাগী হলেও তার রাগের বহিঃপ্রকাশ ঋদ্ধিমানের থেকে আলাদা। সেইসাথে অভিনেত্রী জানান ঋদ্ধির মত এত চেঁচামেচি করলে, বদমেজাজ থাকলে হয়তো তাদের সম্পর্কটাই টিকত না।
প্রসঙ্গত গৌরব, দেবলীনা দুজনেই একই পেশার সাথে যুক্ত।২০২০ সালে ধুমধাম করে বিয়ে হয় তাদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় দুজনেই দারুন অ্যাক্টিভ এই জুটি। সোশ্যাল মিডিয়া মাঝে মধ্যেই নিজেদের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি, ভিডিও শেয়ার করেন এই তারকা। তাই কাজে ব্যাস্ত থাকার দরুন এখন বাড়িতে তারা খুব কম সময়ই একসাথে কাটান।
অভিনেত্রীর কথায় গৌরব এতটাই অভিজ্ঞতাসম্পন্ন যে, তাকে আলাদা করে টিপস দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। তবে বরাবরই স্বামীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ দেবলীনা।তাই বিশেষ কোনও দৃশ্য ভাল লাগলে সেটা সবসময় তিনি গৌরবকে নিজের মুখে জানান যাতে তার কাজে উৎসাহ বাড়ে। দেবলীনার কথায় ‘আসলে বউয়ের প্রশংসা শুনলে বেশ ভালোই লাগে।’ তবে ব্যস্ততার কারণে নিয়মিত ‘গাঁটছড়া’ দেখা হয় না দেবলীনার। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও দৃশ্য বা প্রোমো চোখে পড়লে দেখেন তিনি। এছাড়া এদিন দেবলীনা বলেন ‘আমি ওঁর সাফল্যে দারুণ খুশি।’