আজ সকাল থেকেই অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তে (Rituparna Sengupta) বিমান ধরার খবরে ছয়লাপ সোশ্যাল মিডিয়া। হাজার কান্নাকাটি, কাকুতিমিনতি কাজে লাগেনি কিছুই। এমনকি নিজের তারকা সত্তাকেও কাজে লাগাতে পারেননি অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। আর তার জন্য উল্টে কাঠগড়ায় বিমান সংস্থাকেই কাঠগড়ায় তুললেন অভিনেত্রী। আর এবার এই ঘটনায় নাম না করেই ঋতুপর্ণাকে খোঁচা দিলেন টলিউডের আর এক অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra)।
আসলে আজ ভোরেই আমেদাবাদের উদ্দেশ্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ শ্যুটিং এর কাজে রওনা দেওয়ার কথা ছিল অভিনেত্রীর৷ এদিন অভিনেত্রীর ভোরের বিমানের বোর্ডিং টাইম ছিল ৪.৫৫ মিনিট। কিন্তু অভিনেত্রী বিমান ধরার জন্য সকাল ৫:১২ মিনিটে যাত্রীদের ১৯ নম্বর গেটে পৌঁছন। তাই ঠিক ১৭ মিনিট দেরিতে পৌঁছানোর জন্য বিমান সংস্থার তরফে সাফ জানানো হয় দরজা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
এমনকি নির্দিষ্ট সময়ে একাধিকবার অভিনেত্রীর নাম ডাকা হয়েছে, ফোন পর্যন্ত করা হয়েছে তবুও নায়িকার তরফে কোনো উত্তর মেলেনি। পর্দার পারমিতার দাবি তার কাছে কোনোওরকম ফোনই আসেনি। গুরুত্বপূর্ণ শুটিংয়ের কথা শুনিয়েও লাভ হয়নি। উল্টে টানা ৪০ মিনিট ধরে বিমান কর্মীদের সাথে টানা বচসায় জড়ান অভিনেত্রী। শেষপর্যন্ত বিমান না পেয়ে কেঁদেও ফেলেন অভিনেত্রী।
পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রী জানান, ‘খুব তাড়াহুড়ো করে গেটে পৌঁছলেও বিমান সংস্থার কর্মীরা সহযোগিতা করেননি। ক্রমাগত বচসার মাধ্যমে সময় নষ্ট করতে থাকেন। খুব সামনে থেকে দেখতে পাচ্ছি বিমান মাত্র পঞ্চাশ পা দুরে দাঁড়িয়ে। আমার বোর্ডিং পাশ থেকে আসন সবকিছুই ছিল। দেখতে পাচ্ছি বিমানের সিঁড়ি খোলা হয়নি তখনও। অথচ আমাকে আটকে রেখে বচসা চলল টানা ৪০ মিনিট ধরে। এই বিমান সংস্থার বিমানে বহুবার যাতায়াত করেছি। সংস্থার তরফ থেকে সম্মানসূচক পাসপোর্টও পেয়েছি কিছুদিন আগে। অথচ কেন এরকম ধরনের আচরণ করলেন বুঝতে পারছি না’
এই ঘটনার কিছুক্ষণ পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন টলিউডের আর এক অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। এদিনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাম না করেই ঋতুপর্ণাকে খোঁচা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে অভিনেত্রী লেখেন ‘ট্রেন হোক বা প্লেন, নিয়ম তো সবার জন্য এক মামা’। তবে শ্রীলেখা সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, ‘না, আমি কারও বিরুদ্ধে কিছু বলিনি। নিজের কথা মনে পড়ে গেল আসলে। আমার জন্যও এক বার বিমান দাঁড়ায়নি। কারণ আমি সময় মতো পৌঁছতে পারিনি বোর্ডিং গেটে। বিমান উড়ে গিয়েছে আমাকে ছাড়াই। কিন্তু আমি ‘শ্রীলেখা মিত্র’ বলে কোনও পোস্ট দেওয়ার কথা মাথায় আসেনি তখন। আসবেও না। তুমি যে-ই হও না কেন, কারও জন্য নিয়ম বদলাবে না।’