গত রবিবার সুরে সুরে পথচলা শেষ হয়েছে ‘সারেগামাপা ২০২৩’এর (SaReGaMaPa 2023)। গত বছর জুন মাসে শুরু হয়েছিল এই শো। অবশেষে ফেব্রুয়ারি মাসে এসে যবনিকা পতন হল। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর বিজয়ীর খেতাব জিতেছেন পদ্মপলাশ হালদার (Padma Palash Halder) এবং অস্মিতা কর (Ashmita Kar)। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন যথাক্রমে অ্যালবার্ট কাবো এবং সোনিয়া গজমের। যদিও ‘সারেগামাপা’ শেষ হওয়ার পর থেকেই পদ্মপলাশের জয় নিয়ে চলছে বিতর্ক।
সদ্য সমাপ্ত ‘সারেগামাপা’য় (SaReGaMaPa) বিচারক হিসেবে দেখা গিয়েছিল শান্তনু মৈত্র, শ্রীকান্ত আচার্য্য এবং রিচা শর্মার। এছাড়াও ইমন চক্রবর্তী, জোজো, রাঘব চট্টোপাধ্যায়, রথিজিৎ ভট্টাচার্যের মতো শিল্পীদেরও বিচারকের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গিয়েছিল। অপরদিকে সঞ্চালক হিসেবে দেখা গিয়েছিল টলিউড অভিনেতা আবীর চট্টোপাধ্যায়। গ্র্যান্ড ফিনালের দিন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনু নিগম এবং কুমার শানু।
দীর্ঘ লড়াইয়ের শেষ বিচারকদের বিচারে বিজয়ী হয়েছেন পদ্মপলাশ এবং অস্মিতা। দর্শকদের একাংশের একেবারেই এই সিদ্ধান্তে খুশি ছিলেন না। তাঁদের মতে, পদ্মপলাশ নয়, বরং বিজয়ী হওয়া উচিত ছিল কাবোর। এবার এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন পদ্মপলাশ নিজে।
‘সারেগামাপা ২০২৩’ বিজেতা সাফ বলেন, ‘আমায় যোগ্যতা অনুযায়ী আমাকে বিচারকরা বেছে নিয়েছেন’। পদ্মপলাশের সংযোজন, ‘২০১৫ সাল থেকে আমি পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর কাছে গান শিখছি। আমি জানতামই না তিনি মহাগুরুর আসনে বসবেন। নেটিজেনরা যে অভিযোগ তুলেছেন সেটি সম্পূর্ণরূওএ ভিত্তিহীন’। উল্লেখ্য, পদ্মপলাশ জয়ী হওয়ার পর নেটাগরিকদের একাংশ পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর ছাত্র বলেই তিনি খেতাব জিতেছেন।
সাক্ষাৎকারে দ্বিতীয় স্থানাধিকারী কাবো নিয়েও মুখ খোলেন পদ্মপলাশ। তিনি বলেন, ‘আমি আর অ্যালবার্ট খুব ভালো বন্ধু। দর্শকদের নজরে ও প্রথম আমার তাতে খুব ভালোলেগেছে। ওঁর জন্য আমার মনে কোনও রাগ নেই’। সেই সঙ্গেই গায়ক এও জানান, ‘সারেগামাপা’য় যতজন প্রতিযোগী ছিলেন প্রত্যেকেই তাঁর খুব ভালো বন্ধু।
পদ্মপলাশ জানান, ভবিষ্যতে তিনি কীর্তনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চান। গায়কের কথায়, ‘আমি সবসময়ই চাই মানুষের কাছে যেন ঐতিহ্য কীর্তন স্থান করে নেয়’। পদ্মপলাশ এও জানিয়েছেন, আগামী দিনে যদি তাঁর কাছে প্লেব্যাকের সুযোগ আসে, তাহলে সেটিকে একেবারেই হাতছাড়া করবেন না তিনি।