গসিপবিনোদনসিনেমা

নব্বইয়ের দশকটা সত্যিই নস্টালজিক! ছেলেবেলার স্মৃতি আজ মনে পরে অর্জুন চক্রবর্তীর

টলিউডের হ্যান্ডসাম হাঙ্ক অর্জুন চক্রবর্তী (Arjun Chakraborty)। তিনি শুধু অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত থাকেন না, পাশাপাশি অসম্ভব ফিটনেস ফ্রিকও তিনি। অভিনেতার ইনস্টাগ্রাম (Instagram) প্রোফাইলে ঢুঁ মারলেই নজরে আসে তাঁর ফিটনেস সংক্রান্ত নানান পোস্ট। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ট্রেন্ডিং অর্জুনের সেই ড্যাশিং লুক। অভিনেতা মনে করেন, প্রত্যেকেই তাঁদের নিজেদের মতো করে ওয়ার্কআউট করতে পারেন, তবে এক্সারসাইজ করাটা আবশ্যক।

একথা কারও আজানা নয় যে ফেলুদা তথা বর্ষীয়ান অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তীর (Sabyasachi Chakraborty) ছোটো ছেলে হলেন অর্জুন চক্রবর্তী। অর্জুনের জন্ম ১৯৯০ সালে, সেদিক দিয়ে অর্জুনও হলেন ৯০’জ কিডদের মধ্যেই পড়েন। আর নব্বইয়ের দশক মানেই একটি সময়কাল নয়! এই সময়ে যাঁদের জন্ম তাঁদের প্রত্যেকের কাছেই এটা একটা আলাদা ইমোশন।  যে সময়ের কথা ভাবলে মনের অজান্তেই ঠোঁটের কোণে ফুটে ওঠে হাসি।

আর ৯০’জ কিড হিসেবে অভিনেতা অর্জুন চক্রবর্তীও হাতড়ে বেড়ান পুরনো স্মৃতি। মিস করেন সেই সময়কার নানান মুহুর্ত। আর সেই স্মৃতি হাতড়েই মাঝে মাঝেই খুঁজে পান পুরনো হলেও, খুব কাছের কিছু জিনিস। ছোটোবেলার স্মৃতিতে যার আজও উজ্জ্বল যাদের উপস্থিতি। অর্জুনের কাছে ৯০’জ এর সেই প্রিয় জিনিস গুলি কী? সম্প্রতি একটি ভিডিও শেয়ার করে এমন জিনিসের উল্লেখ করেছিলেন অভিনেতা। দেখা নেওয়া যাক কী সেগুলো।

প্রথমেই আসে ক্যাসেটের ব্যাক কভারে লেখা গানের লিরিক্স। এদিন অর্জুন প্রথমেই যে জিনিসটির কথা বলেছেন তা হল ব্যাক কভারে লিরিক্স লেখা ক্যাসেট। তখন তো আর আজকের মতো ডিজিটাল ইন্ডিয়ার যুগ ছিল না। তাই এক ক্লিকেই হাতের মুঠোয় সব পেয়েছিল সেই সুখও ছিল না। কিন্তু তার মধ্যেও একটা অদ্ভুত আনন্দ ছিল। তাই তখন নতুন ক্যাসেটে, প্রিয় গায়কের গান শোনার সাথে সাথে একটা অভ্যাস ছিল গানের লিরিক্স দেখারও। তাই ক্যাসেটের ব্যাক কভারে লেখা গানের লিরিক্স দেখেই খুশিতে মন ভরে যেত সবার। এদিন অর্জুনের সেই পাঁচটি জিনিসের তালিকায় থাকা এই গানের লিরিক্স সেই পুরনো স্মৃতিই উস্কে দিল।

তখন ল্যান্ড লাইন,লোকাল স্টেডিয়াম বুথের জমানা। তাও ব্যবহার হতো শুধু কথা বলা আর শোনার জন্য। তার সাথে আজকের স্মার্ট ফোনের হয়তো তুলনা হয়না। কিন্তু সেসময়ের বাচ্চাদের কাছে স্মার্ট ফোন না থাকলেও ছিল অত্যন্ত প্রিয় একটি জিনিস তা হল বুক ক্রিকেট। অর্জুন আজও সেই খেলা মিস করেন।

এরপর আসে নব্বইয়ের দশকের ভিডিয়ো গেমস। একথা ঠিক যে ডিজিটাল দুনিয়ার সাথে পরিচয়ের প্রথম ধাপ হল এই ভিডিয়ো গেমস। ৯০’ দশকের ছেলেমেয়েদের কাছে এর কোনো বিকল্প ছিল না। এই ভিডিয়ো গেমসের প্রতি বেশ আকর্ষণ ছিল অর্জুনেরও।

অলিগলিতে ক্রিকেট খেলা নব্বইয়ের দশকের একটা নস্টালজিয়া বলা যেতে পারে। আর উত্তর কলকাতার অন্যতম ঐতিহ্য এই গলি ক্রিকেট। বৃষ্টির দিনে জল, কাদা মেখে ,গলি ক্রিকেট খেলার মজা একবার যে পেয়েছে তাকে আর আটকায় কে! এই স্বাদ থেকে বঞ্চিত ছিলেন না অভিনেতা অর্জুন চক্রবর্তীও। ক্রিকেট/ডব্লু ডব্লু ই ট্রাম্প কার্ড–ট্রাম্প কার্ড খেলা মানেই আলাদা একটা নস্টালজিয়া কাজ করে এই সময়ের ছেলেমেয়েদের কাছে। এর মধ্যে ছিল একটা আলাদাই মোহাম্মদ। অর্জুনের ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয়নি।

Related Articles

Back to top button