কঙ্গনা রানাউতের ৫টি সাহসী মন্তব্য যা প্রমান করে কেন তিনি বলিউড কুইন।


বলিউড বিতর্কে কঙ্গনা রানাউত এখন হট ট্রেন্ডিং। কিন্তু ইদানিং বলিউডে নির্ভিক ও সাহসী বক্তব্যের জন্য কঙ্গনা বরাবর পরিচিত।এই সাহসী মন্তব্যের মাধ্যমেই নিজেকে আসল বলিউড কুইন প্রমান করেছেন কঙ্গনা। হিমাচল প্রদেশের মেয়ে কঙ্গনা একসময় ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন ,কিন্তু পরে অভিনয় জগতে চলে আসেন।

অভিনয় জগতে প্রথম “গ্যাংস্টার” সিনেমায় দেখা যায় কঙ্গনাকে। প্রথম সিনেমা হিট হয়, পরে নিজেই সিনেমা পরিচালনা করেন। বলিউডের তথাকথিত তারকা সন্তানেরা যেখানে  ব্যর্থতা সত্ত্বেও ইন্ডাস্ট্রিতে থেকে যাচ্ছে সেখানে নতুন ট্যালেন্টরা সংঘর্ষ করেছে দিনরাত। সেখানে কঙ্গনা নিজেকে সত্য ও সাহসের সাথে প্রতিটি মুহূর্তে প্রমান করেছেন। এমনকি ইন্ডাস্ট্রির বড়সড় মাথাদের সাথেও লড়াইয়ে পিছিয়ে যাননি কঙ্গনা।

কঙ্গনা ও হৃত্বিক রোশানের মধ্যেকার তিক্ততা

একটি জনপ্রিয় টিভি শো চলাকালীন কঙ্গনা মন্তব্য করেন হৃত্বিককে নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন “ও আমাকে দেখলে পালিয়ে যায়। আসলে ২০১৪সালে আমাদের ব্রেকাপের পর যখন আমি ভেঙে পড়েছিলাম,তখন ও আমায় হেনস্থা করে। আমি তার বাবার কাছে অভিযোগ করেছিলাম তার হয়রানি ও লাঠিপেটার বিরুদ্ধে। যে কেন সে আমার সাথে এরকম করেছে? কেন সে আমার একাউন্ট হ্যাক করেছে? আমাকে অন্য কারোর সাথে সম্পর্কেই বা যেতে দিচ্ছে না কেন! তখন তার বাবা একটি সাক্ষাতের ব্যবস্থা করবেন বলেন। আমি অপেক্ষা করে আছি সেই সাক্ষাতের, আমি তাকে জিজ্ঞাসা করবো যে কেন সে আমার ব্যাপারে সারা দুনিয়ায় বলে বেড়াচ্ছে যেটা সে জানেই না। ”

কফি উইথ করণ জোহার শো তে করণ জোহারকেই আক্রমন করেছিলেন।

কফি উইথ করণ শোতে কঙ্গনা করণকেই আক্রমন করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন “আমার বায়োপিক যদি কখনো তৈরী হয়,সেখানে তোমায় এমন একজনের চরিত্র দেব যে বলিউডে নিজেকে নিয়ে খুব গর্বিত ও একেবারেই অসহিষ্ণু বহিরাগতদের প্রতি যে নেপোটিজমের পোতালা বহন করে। আর আমার বায়োপিকে আপনার একটা বড় অংশ থাকবে। আমার প্রতিপক্ষ হিসাবে আপনাকে আমার বেশ পছন্দ। আপনি আমার জীবনের চালিকা শক্তির মত কাজ করেছেন। আপনার প্রত্যাখ্যান ও বিদ্রুপ যদি না পেতাম তাহলে হয়তো আজ এই জায়গায় আস্তে পারতাম না। আপনি আমার ইংলিশ বলা নিয়ে মজা করেছিলেন,কিন্তু আমি কিন্তু তা করিনি। ”

শাবানা আজমীর বিরুদ্ধে সাহসী কটূক্তি করেছিলেন কঙ্গনা।

পিঙ্কভিলাকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা জানিয়েছিলেন “শাবানা আজমীর মত লোকেরা ভারতীয়  সংষ্কৃতি বিনিময়ে বাধা দেন করে। এরা তাদের মধ্যেই একজন যারা টুকরো টুকরো গ্যাংএর লোক। কেন তারা এমন একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে করাচিতে যেখানে পাকিস্তানি শিল্পীরা নিষিদ্ধ ছিল উরি হামলার পরে। আর এখন তারা মুখ বাঁচানোর চেষ্টা করছে। বলিউড ইন্ডাস্ট্রি এরোকম জাতীয়তাবাদ বিরোধীতে পরিপূর্ন যারা শত্রুর নৈতিকতা উস্কে দেন। এখন সময় সিদ্ধান্তমূলক কাজের, পাকিস্তান কে নিষিদ্ধ করা তো মূল লক্ষ্য নয় মূল লক্ষ্য হল পাকিস্তানকে ধ্বংস করা। ”

মহেশ ভাট্ট কন্যা আলিয়া ভাট্ট কে করণের “হাতের পুতুল” দাবি করেন কঙ্গনা।

“আমি প্রস্তাব দিয়েছিলাম যে সে কিছুটা মেরুদণ্ড বাড়বে ও মহিলা ক্ষমতায়ন ,জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্রকে সমর্থন করবে। যদি তার নিজের কণ্ঠস্বর না থাকে ,তার অস্তিত্বই করণ জোহরের পুতুল হওয়ার জন্য। তবে আমি তাকে বিবেচনা করি না সে সফল।”

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর বলিউডে স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা করেন।

যদিও সুশান্ত সিং মারা গিয়েছেন অনেক দিন হল। তাও এই তারকার মৃত্যু যেন সকলে মেনে নিতে পারছেন না। ভক্তরা এখনো সুশান্তের জন্য ন্যায় চাইছেন সাথে সুশান্তের আত্মার শান্তি কামনা করছেন। সেই সুশান্ত সিং এর মৃত্যুতে বারবারই সরব হয়েছেন কঙ্গনা। তীব্র বিরোধিতা করেছেন বলিউডের স্বজনপ্রীতির। যার ফলে বলিউডের অনেক বড় মাথার কটূক্তির মুখেও পড়তে হচ্ছে কঙ্গনাকে।


Like it? Share with your friends!

617
617 points