দেখতে দেখতে পুজো এসেই গেল। এখন বাংলা চারপাশে উৎসবের আমেজ। দেবী দুর্গার আগমনে সারা বাংলা এখন সেজে উঠেছে সুন্দর আলোকসজ্জায়। তাই চারপাশে এখন আলোর রোশনাই আর পুজোর গান। তবে একথা কিন্তু কিছুটা হলেও সত্যি যে এখনকারদিনের দুর্গাপুজোয় থিমের ভীঁড়ে সাবেকিয়ানা একেবারেই ফিকে হয়ে গিয়েছে।
তাই আজকের দিনে সবকিছুর মতো দুর্গা পুজোতেও যে আমুল পরিবর্তন এসেছে সে কথা অস্বীকার করারযে নেই। তবে ৯০ এর দশকের ছেলে মেয়েদের কাছে তাদের ছোটবেলার দুর্গাপুজোর (Durgapujo) আমেজটাই ছিল একেবারে অন্যরকম। স্কুলের পরীক্ষার পর ক্যাপ বন্দুক ফাটানো থেকে শুরু করে স্কুল শেষে ঠাকুর তৈরীর কাজ কতটা এগিয়েছে তা দেখা। এমনই নানান টুকরো স্মৃতি (Memories) রয়েছে কম বেশি সকলেরই।
ব্যতিক্রম টলিউড অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরাও । এমনিতে দুর্গাপুজো মানেই বাঙালির কাছে আবেগের আরেক নাম। তাই পুজো নিয়ে কম্বেশি সকলের কাছেই নানান স্মরণীয় মুহূর্ত থাকে। সম্প্রতি পুজোর এমনই সব হাজার স্মৃতির অতলে ডুব দিয়ে জিয়া নস্টাল হয়ে উঠেছিল অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরার (Ankush Hazra)। সম্প্রতি প্রতিদিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে অভিনেতা খুলেছিলেন তাঁর এমনই সব পুরোনো স্মৃতির ঝাঁপি।
অভিনেতা জানিয়েছেন ছোটবেলায় বর্ধমানে তার কাছে পুজো মানেই ছিল বন্ধুদের সাথে পায়ে হেঁটে ঠাকুর দেখা, খিদে পেলে রাস্তার পাশের খাবারের দোকান থেকে পছন্দের খাবার খাওয়া। কিন্তু এখন তিনি সুপারস্টার তাই পায়ে হেঁটে ঠাকুর দেখা তো দূরের কথা পছন্দ মতো যেখানে সেখানে যেতেও পারেন না তিনি। তাই আগের মতো পায়ে হেঁটে ঠাকুর দেখা কিংবা রাস্তায় বেরিয়ে পছন্দের খাওয়ার খাওয়ার মতো বিষয় গুলো ভীষণ মিস করেন অঙ্কুশ।
পূজো মানেই বাঙালির জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ হল পুজো প্রেম (Pujo Prem)। তবে অঙ্কুশের ক্ষেত্রে বিষয়টা ছিল একটু অন্যরকম। অভিনেতার কথায় তিনি ছোটবেলা লাজুক ছিলেন তাই সেসময় প্রেমটা তার করা হয়ে ওঠেনি।প্রসঙ্গত অঙ্কুশ বর্তমানে প্রেমিকা ঐন্দ্রিলা সেনের (Oindrila Sen) সাথে ইউরোপ ট্যুরে ব্যস্ত রয়েছেন।অঙ্কুশ জানিয়েছেন তিনি কলকাতার ফিরছেন সপ্তমীর দিন। কলকাতায় এসেই প্রথমেই শ্রীভূমিতে যাওয়ার কথা রয়েছে অঙ্কুশ ঐন্দ্রিলার। তারপর পুজোর বাকি দিনগুলো পরিবার, বন্ধু-বান্ধব এবং ঐন্দ্রিলার সাথেই কাটাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।